Hyderabad News : একের পর এক বিস্ফোরণ ! কেঁপে উঠল হায়দরাবাদের জনবহুল এলাকা, বিরাট আগুন
প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি গ্যাস লিকের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

হায়দরাবাদ : বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল হায়দরাবাদের কুকাটপল্লির রাজীব গান্ধী নগর। গতকাল একটি অবৈধ গ্যাস রিফিলিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে দাবি, গ্যাস লিকের কারণে একের পর এক বিস্ফোরণ হয়। তাতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের কয়েকটি ইঞ্জিন। পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় এক ঘন্টা সময় লেগে যায়। বিস্ফোরণের সময় ইউনিটটি বন্ধ থাকায় কেউ ভেতরে আটকা পড়েননি বলেই এখনও পর্যন্ত খবর। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
১০ থেকে ১৫টি ছোট সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে এলাকার একটি অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার রিফুয়েলিং ইউনিটে বিশাল বিস্ফোরণটি ঘটে। একেবারে লাগাতার শব্দ। সিলিন্ডার ফাটার গগনবিদারী শব্দ। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক । সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় কোনও হতাহত বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ আধিকারিকরা নিশ্চিত করেছেন।
কর্তৃপক্ষের মতে, রাত ৯টা নাগাদ বিস্ফোরণটি ঘটে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, সিলিন্ডার রিফুয়েলিং ইউনিটটিতে কোনও নিরাপত্তা নিয়ম মানা হয়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১০ থেকে ১৫টি ছোট সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি গ্যাস লিকের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
অবৈধ সিলিন্ডার রিফুয়েলিং :
পুলিশ জানিয়েছে, ইউনিটের মালিকরা বাণিজ্যিক লাইসেন্স পেয়েছিলেন, তবুও তারা অবৈধভাবে গৃহস্থালীর ব্যবহারের জন্য সিলিন্ডার রিফুয়েলিং এবং সরবরাহ করছিলেন। ইউনিটটি অবৈধভাবে পরিচালনা এবং সুরক্ষা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মালিকদের বিরুদ্ধে কুকটপল্লি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অপারেটরদের তরফেও কোনও নিয়ম লঙ্ঘন?
এই ইউনিটের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেয়ে যান দমকলকর্মীরা। কুণ্ডলী পাকিয়ে বেরিয়ে আসতে থাকে ধোঁয়া। ঘটনায় আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের আতঙ্কিত হয়ে পড়েন । পুলিশ নিশ্চিত করেছে , বিস্ফোরণের সময় ইউনিটটি বন্ধ থাকায় কেউ ভেতরে আটকা পড়েনি। কোনও কর্মীর জীবন বিপন্ন হয়নি। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ত্রুটি থাকাতেই এত বড় বিপর্যয়। ইউনিটের অপারেটরদের তরফেও কোনও নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছিল কিনা , তদন্ত চলছে।






















