Elon Musk on India's Birth Rate: জন্মের হারে বড় পতন, কী অপেক্ষা করছে ভারতের জন্য? ওয়ার্নিং দিলেন খোদ ইলন মাস্ক
India's Fertility Rate: জন্মের হার কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ। সতর্ক করলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক।

নয়াদিল্লি: ভারতে জন্মের হার কমে যাওয়া নিয়ে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। ভারতে জন্মের হার এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে, সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো কষ্টকর বলে মত তাঁর। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার পরিসংখ্যানের প্রেক্ষিতে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মাস্ক। (India's Fertility Rate)
AFP Post-এর একটি রিপোর্ট বলছে, ভারতে প্রজননের হার ‘রিপ্লেসমেন্টে’র নীচে নেমে গিয়েছে। ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম এত নীচে নেমে গিয়েছে জন্মের হার। গত এক দশকেই সবচেয়ে পতন ঘটেছে জন্মের হারে, ২.৩ থেকে ১.৯-এ নেমে এসেছে। বর্তমানে ভারতে জন্মের হার ১.২, যা কি না ফিনল্যান্ডের চেয়েও কম। (Elon Musk on India's Birth Rate)
AFP Post-এর ওই রিপোর্ট তুলে ধরেন মাস্ক। লেখেন, ‘ভারতে জন্মের হার রিপ্লেসমেন্টের নীচে চলে গিয়েছে। সবচেয়ে শিক্ষিত যাঁরা, তাঁদের ক্ষেত্রে অনেক বছর আগেই জন্মের হার রিপ্লেসমেন্টের নীচে চলে গিয়েছে’। মাস্কের ওই পোস্টে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আরও বহু মানুষ।
India’s birth rate has fallen below replacement.
— Elon Musk (@elonmusk) June 6, 2026
Among those most educated, India’s birth rate fell below replacement many years ago. https://t.co/RsWf0PK6wx
আরও পড়ুন: গ্রেফতার হতে পারেন খান স্যর? কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনায় নয়া মোড়
‘ভারতের জনসংখ্যা শীঘ্রই নীচের দিকে যাবে, হতে পারে খুব দ্রুত’- এই শীর্ষক-সহ গত ৪ জুন রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়। তাতেই ভারতে জন্মের হার নিয়ে উদ্বেগ ধরে পড়েছে। তবে শুধু ওই রিপোর্টই নয়, ২০২৪ সালে প্রকাশিত স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমের রিপোর্ট বলছে, প্রত্যেক মহিলা পিছু ভারতে জন্মের হার ২.১ থেকে ১.৯ শতাংশের দীকে যাচ্ছে।
জন্মহারে রিপ্লেসমেন্ট লেভেলের অর্থ মহিলা পিছু ন্যূনতম ২.১ অনুপাতে শিশুর জন্ম হওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে কোনও জনগোষ্ঠী প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিজেদের সংখ্য়া ধরে রাখতে পারে। অন্যত্র স্থানান্তরিত হতে হয় না। এখনও পর্যন্ত যে ছয় রাজ্যে জন্মহার রিপ্লেসমেন্ট লেভেলের উপরে রয়েছে, সেগুলি হল-বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তীসগঢ় এবং ঝাড়খণ্ড।
দীর্ঘ সময় ধরে জন্মের হার কম থাকলে, জনসংখ্যার বৃদ্ধিও ক্রমশ কমে আসে। এতটা সময় পর নেমে যায় ‘নেগেটিভে’। জন্মহার কমে গেলে বয়স্ক নাগরিকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। ফলে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে, যার প্রভাব পড়ে দেশের অর্থনীতিতে। পেনশন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, সমাজকল্যণমূলক পরিষেবা জোগাতে চাপ পড়ে সরকারি কোষাগারে।
২০২৫ সালের State of World Population Report-এও ভারতের জন্মহার নিয়ে উদ্বেগ ধরা পড়ে। ওই রিপোর্টটি প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জ। এখনও পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যাই সবচেয়ে বেশি, ১৪৬ কোটি। তবে একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের জনসংখ্যার পরিবর্তন একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যার অন্য়তম বৈশিষ্ট্য হল, ছোট পরিবার, নিম্নমুখী প্রজননের বার এবং শ্লথ গতিতে জনসংখ্যার বৃদ্ধি।
এক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল জন্মের হার এবং প্রজননের হারকে একই অর্থে ব্যবহার করে থাকি আমরা। কিন্তু জন্মহার যেখানে এক বছরে প্রতি ১০০০ জন মহিলার সন্তান প্রসবের হার তুলে ধরে, প্রজনন হারের মাধ্যমে বোঝানো হয়, নিজের জীবনকালে এক জন মহিলা গড়ে কত সংখ্যক সন্তান জন্ম দিতে পারেন। দুইয়ের মধ্যে গভীর সংযোগ। প্রজননের হার কমাপ অর্থ জন্মের হারও কমে যাওয়া। এই দু’টিই জনসংখ্যাবৃদ্ধিকে শ্লথ করে দেয়। দেশে বয়স্কদের সংখ্যা বাড়ে।






















