Road Accident Victims Scheme 2025: সড়ক দুর্ঘটনায় চিকিৎসা না পেয়ে আর হবে না মৃত্যু, এবার দেড় লক্ষ অবধি ক্যাশলেশের সুবিধা !
Cashless Treatment of Road Accident Victims Scheme 2025: দেশজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এবার দেড় লক্ষ অবধি ক্যাশলেশ চিকিৎসার সুবিধা, রইল বিস্তারিত

নয়াদিল্লি: সারা দেশেই প্রায় নিত্যদিন দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসে। প্রিয়জনকে হারানোর কষ্ট তো আছেই, তারই সঙ্গে আর্থিক অনটনের মুখোমুখি হন অনেকেই। অনেকক্ষেত্রে বেঁচে থাকলে, ভুক্তোভোগীর নুন্যতম চিকিৎসার খরচ বহন করা ক্ষমতাটুকুও থাকে না। তবে এবার সেই দেশজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হওয়া ব্যক্তিরা দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা পেতে পারেন।
'সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার যারাই হবেন, সেই সকল ব্যক্তিরা..'
মঙ্গলবার সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক কর্তৃক জারি করা হয়েছে একটি বিজ্ঞপ্তি। যেখানে জানানো হয়েছে, সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার যারাই হবেন, সেই সকল ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট হাসপাতালে, প্রথম সাত দিনের জন্য দেড় লক্ষ অবধি ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। মূলত প্রতিবছর দুর্ঘটনায় সময়মত চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যু হয় ভুরিভুরি মানুষের। এই প্রকল্পের (Cashless Treatment of Road Accident Victims Scheme 2025)
উদ্দেশ্য হল, সেই মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনা।
'উল্লেখিত হাসপাতাল থেকে দেড় লক্ষ অবধি ক্যাশলেশের সুবিধা পাবেন'
বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, ভারতীয় কোনও নাগরিক যদি, সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন, তাহলে এই ক্যাশলেশ চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। যেদিন দুর্ঘটনা হবে, অর্থাৎ ওই নির্দিষ্ট তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিনের জন্য, উল্লেখিত হাসপাতাল থেকে দেড় লক্ষ অবধি ক্যাশলেশের সুবিধা পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্প তদারকির জন্য, ১১ জনের একটি কমিটিও গঠন করেছে।
' ২০২৩ সালে প্রায় ৪.৮০ লক্ষ সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে। যার ফলে ১.৭২ লক্ষের মৃত্যু হয়েছে'
সম্প্রতি নীতিন গড়কড়ি বলেছিলেন যে, ২০২৩ সালে প্রায় ৪.৮০ লক্ষ সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে। যার ফলে ১.৭২ লক্ষের মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, সময় মত চিকিৎসা না পাওয়ার জন্যই বেশিরভাগ ভুক্তভোগীর মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টাকাই তুলেছে বড় প্রশ্ন চিহ্ন। তাই চিকিৎসা করাতেও দেরি হয়েছে। হারাতে হয়েছে প্রাণ। তবে এবার আর সেই ঝুঁকি থাকছে না। দুর্ঘটনা হলে, এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দ্রুত এবার ক্যাশলেশের সুবিধা পাবেন দেশের আহত ব্যাক্তিরা। তবে আরও একটি বিষয় হল সচেতনতা গড়ে তোলা। দেশজুড়ে কমবেশি সচেতনার বার্তা প্রতিমুহূর্তেই ছড়িয়ে দেয় পুলিশ। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালাতে গিয়ে, দুর্ঘটনার বলি হন দেশের মানুষ।






















