Love Jihad: ফেসবুকে প্রেম! বিয়ের পরই 'গরুর মাংস খেতে চাপ, ঠাকুরের ছবি মুছে ফেলতে জোরাজুরি', ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তরুণীর
অভিযোগকারিণী ইনদৌরের মহিলা । তাঁর অভিযোগ, তাঁর স্বামী তাকে বিয়ের পরই অন্য রূপ ধারণ করে। তাঁকে গরুর মাংস খেতে বাধ্য করা হয় এবং ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করেন স্বামী।

বেগুসরাই : নিজেরা পছন্দ করে বিয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ। আলাপ - পরিচয় পর্বে কোনওদিনই মনে হয়নি , বিবাহিত জীবনে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে ধর্মের গোঁড়ামি ! বিহারের বেগুসরাইয়ের বিরুদ্ধে 'লাভ জিহাদে'যুক্ত থাকার অভিযোগ তুললেন তাঁর স্ত্রী। অভিযোগকারিণী ইনদৌরের মহিলা । তাঁর অভিযোগ, তাঁর স্বামী তাকে বিয়ের পরই অন্য রূপ ধারণ করে। তাঁকে গরুর মাংস খেতে বাধ্য করা হয় এবং ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করেন স্বামী। অভিযোগকারিণী জানান, ফেসবুকে পরিচয় হয়েছিল তাঁদের। বছর পাঁচ আগে বিয়ে হয় তাঁদের।
ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্টে দাবি, অভিযোগকারিণী আরতি কুমারী বেগুসরাই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুলিশের কাছে আবেদন করেছেন, তাঁকে যেন শহরে ফেরত পাঠানো হয়। আরতি জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে তিনি মোহম্মদ শাহবাজের সঙ্গে পরিচিত হন। বেশ কয়েক বছরের আলাপের পর বেগুসরাই গিয়ে শাহবাজকে বিয়ে করেন তিনি। আরতির অভিযোগ,শাহবাজ তাঁকে গরুর মাংস খেতে বাধ্য করেন। ক্রমাগত ধর্ম পরিবর্তন করতে চাপ দেওয়া হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়,অভিযোগকারিণী জানান, স্বামী তাঁকে ফোন থেকে হিন্দু দেবদেবীদের ছবি মুছে ফেলতে চাপ দেন। আপত্তি করলে শাহবাজ তাঁকে মারধর করেন।
আরতি জানান, শাহবাজের সঙ্গে ফেসবুকে আলাপ। নিজেকে সোনা - রূপা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। বিয়ের পর আরতি দেখেন, একটি দোকানে মালা তৈরি করেন শাহবাজ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শাহবাজের প্রকৃত রূপ সামনে আসতে শুরু করে। শাহবাজ তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেন । এই সব অভিযোগ নিয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন। এসপি তাঁকে মহিলা থানায় পাঠান। পুলিশ সূত্রের খবর, শাহবাজের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেননি আরতি। শুধু তাঁকে ইনদৌরে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করেন। পুলিশ তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা করে। আরতি জানান, বিয়ের পর থেকে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই। তাঁরা ধরেই নিয়েছেন, মেয়ে মৃত !
ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্টে দাবি, শাহবাজ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দাবি করেন, আরতি পূর্বে বিবাহিত ছিলেন এবং তাঁর তিনটি সন্তান রয়েছে। তাঁ দাবি, আরতি পড়তেই পারেন না। তাই তাঁকে কোরান পড়তে বলার প্রশ্নই ওঠে না।
পুলিশ সূত্রে খবর, আরতি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কিন্তু তার স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি। তিনি মহিলা থানায় একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছিলেন যাতে তাকে ইনদৌরে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। তাই, তাঁকে একটি মহিলা আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে এবং তাঁকে বাড়িতে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।






















