BIG BREAKING : দিল্লিতে বিরাট জঙ্গি হামলার ছক ফাঁস! ISI টার্গেটে জনপ্রিয় এই মন্দির, ধাবা
সেনা শিবিরে বিরাট হামলার পরিকল্পনা ছিল বলে সূত্রের খবর।

নয়াদিল্লি: পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর বড়সড় নাশকতার ছক ফাঁস! বিরাট তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে। জঙ্গিগোষ্ঠীর টার্গেটে ছিল দিল্লির একটি ঐতিহাসিক মন্দির। এছাড়া দিল্লি-সোনিপত হাইওয়ের জনপ্রিয় ধাবাকেও উড়িয়ে দেওয়ার ছক কষেছিল সন্ত্রাসবাদীরা। এছাড়া হরিয়ানার সেনা শিবিরে বিরাট হামলার পরিকল্পনা ছিল বলে সূত্রের খবর।
শাহজাদ ভাট্টি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত অপারেটিভদের মাধ্যমে এই হামলার ছক কষা হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারী সূত্রের।গোয়েন্দাদের দাবি, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গাকে টার্গেট করে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।
সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের ‘গ্যাং বাস্ট অপারেশন ২.০’-এর আওতায় একাধিক রাজ্য থেকে গ্রেফতার হওয়া মডিউলের ৯ জন অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই তথ্য মিলেছে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে একজন দিল্লির একটি ঐতিহাসিক মন্দিরে গিয়ে রেকি চালায়। শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে সেই মন্দির চত্বরের ছবি পাকিস্তানে থাকা হ্যান্ডলারদের কাছেও পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।
গোয়েন্দাদের দাবি, পাকিস্তান-ভিত্তিক হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই টার্গেট চিহ্নিত করা হচ্ছিল। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, শুধুমাত্র মন্দিরই নয়, আরও কোনও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল গোটা ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ধৃতদের ডিজিটাল ডিভাইস, চ্যাট এবং সোশ্যাল মিডিয়া যোগাযোগ খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সূত্রের খবর, দিল্লি-সোনিপত মহাসড়কের পাশে একটি জনপ্রিয় ধাবাকেও টার্গেট করা হয়েছিল। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত ছিল ওই ধাবায়। সেখানে গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে খবর সূত্রের। তদন্তকারীদের দাবি, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটানো। গোয়েন্দারা এখন খতিয়ে দেখছেন, হামলার জন্য কী ধরনের বিস্ফোরক বা অস্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল।
হরিয়ানার সেনা শিবিরেও নজরদারি
তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হিসার-এর একটি সামরিক ক্যাম্পেও নজর রেখেছিল জঙ্গিরা। অভিযোগ, ওই এলাকার ভিডিও রেকর্ড করে সীমান্তের ওপারে থাকা নিয়ন্ত্রকদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। গোয়েন্দাদের মতে, সেনা ঘাঁটির নিরাপত্তা এবং বাহিনীর গতিবিধি সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
উত্তরপ্রদেশের থানাও ছিল নিশানায়
সূত্রের দাবি, শুধু দিল্লি বা হরিয়ানাই নয়, উত্তরপ্রদেশ-এর কয়েকটি থানাকেও টার্গেট তালিকায় রাখা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল বর্তমানে গোটা মডিউলের নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল যোগাযোগ এবং পাকিস্তান-ভিত্তিক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এটি বিচ্ছিন্ন কোনও পরিকল্পনা নয়, বরং একাধিক জায়গায় বড় হামলার বৃহত্তর ছক ছিল।























