Chief Justice Of India: দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি কে? কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ পাঠালেন বর্তমান CJI
Justice BR Gavai: নিয়ম অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতির আসনে যিনি আসীন থাকেন, নিজের উত্তরসূরির নাম তিনি সরকারের কাছে সুপারিশ করেন।

নয়াদিল্লি: দেশের ৫১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন বিচারপতি ভূষণ রামকৃষ্ম গাভাই ওরফে বিআর গাভাই। বর্তমান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না তাঁর নাম সুপারিশ করেছেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের কাছে। সরকারের তরফে নামের উপর সিলমোহর পড়লে, আগামী ১৪ মে দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন বিআর গাভাই। তবে মাত্র ছ'মাসই প্রধান বিচারপতি হিসেবে মেয়াদ থাকবে তাঁর। কারণ চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই তাঁর অবসর নেওয়ার কথা। (Justice BR Gavai)
নিয়ম অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতির আসনে যিনি আসীন থাকেন, নিজের উত্তরসূরির নাম তিনি সরকারের কাছে সুপারিশ করেন। সেই মতোই বিচারপতি গাভাইয়ের নাম সুপারিশ করেছেন বর্তমান CJI সঞ্জীব খন্না। তাঁর সুপারিশে অনুমোদন মিললে বিচারপতি কেজি বালাকৃষ্ণনের পর বিচারপতি গাভাই দেশের দ্বিতীয় দলিত প্রধান বিচারপতি হবেন। ২০০৭ সালে প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পান কেজি বালাকৃষ্ণন। আগামী ১৩ মে অবসর নেবেন বর্তমান CJI খন্না, তার পরই শপথ নিতে পারেন বিচারপতি গাভাই। (Chief Justice Of India)
মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে পৈতৃক ভিটে বিচারপতি গাভাইয়ের। ১৯৮৫ সালে ব্যারিস্টার রাজা ভোঁসলের অধীনে কাজ শুরু করেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত নিজে প্র্যাকটিস করেন। বম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চেই মূলত মামলা থাকত তাঁর। সাংবিধানিক আইন এবং প্রশাসনিক আইন সংক্রান্ত মামলা দেখতেন। পরবর্তীতে সহকারী সরকারি কৌঁসুলি এবং অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নাগপুর বেঞ্চেই দায়িত্ব পান। ২০০৫ সালে স্থানী বিচারপতি হন বম্বে হাইকোর্টের। ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।
সুপ্রিম কোর্টে একাধিক ঐতিহাসিক মামলার রায়ে যুক্ত ছিলেন বিচারপতি গাভাই। ২০১৬ সালে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের নোটবন্দির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা থেকে নির্বাচনী বন্ডকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার যে রায় আসে, তার অংশ ছিলেন। অতি সম্প্রতি বুলডোজার শাসন নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দেয়, সেই বেঞ্চেও ছিলেন বিচারপতি গাভাই। রাতারাতি মহিলা, শিশু, বয়স্কদের রাস্তায় এনে দাঁড় করানো নিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করা হয় ওই মামলায়।
বুলডোজার নামিয়ে সাধারণ মানুষের ঘর ভেঙে দেওয়ার যে চল শুরু হয়েছে, তা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে হিন্দি কবিতাও শোনান বিচারপতি গাভাই। হিন্দি কবি প্রদীপের লেখা কবিতার দু'ছত্র শুনিয়ে বিচারপতি গাভাই বলেন, 'আপনা ঘর হো, আপনা আঙ্গন হো, ইস খোয়াব মেঁ হর কোই জিতা হ্যায়; ইনসান কে দিল কি ইয়ে চাহত হ্যায় কি এক ঘর কা সপনা কভি না টুটে'।






















