এক্সপ্লোর
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের প্রতিশ্রুতি থেকে ‘কোনও শাহ, সুলতান বা সম্রাট’ পিছু হটতে পারবেন না! হিন্দি নিয়ে অমিত শাহকে তোপ কমল হাসানের
জাতীয় সঙ্গীতের উল্লেখ করে কমল বলেছেন, এটা এমন ভাষায় (বাংলা) রচিত যা অধিকাংশ নাগরিকের মাতৃভাষা নয়। কিন্তু অধিকাংশ লোকেই খুশি মনে বাংলায় গর্বের সঙ্গেই জাতীয় সঙ্গীত গান, গাইবেনও। কারণটা হল, যে কবি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেছিলেন, তিনি সব ভাষা, সংস্কৃতিকে সম্মান দেখিয়েছেন। তাই ওটা আমাদের সঙ্গীত হয়েছে।

চেন্নাই: হিন্দিই ভারতকে একসূ্ত্রে বাঁধতে পারে, অমিত শাহের সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিরুদ্ধে মুখ খুলে দেশে হিন্দি ‘চাপিয়ে দেওয়া’র যে কোনও চেষ্টার তিনি বিরোধী বলে জানালেন কমল হাসান। মাক্কাল নিধি মইয়াম (এমএনএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা এই নামী অভিনেতা এক ভিডিওবার্তায় বলেছেন, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য এমন এক প্রতিশ্রুতি যার প্রতি ভারত প্রজাতন্ত্র হওয়ার সময়ই দায়বদ্ধতা জানিয়েছিলাম আমরা। এখন কোনও শাহ, সুলতান বা সম্রাটই তা থেকে পিছু হটতে পারবেন না। সব ভাষাকে আমরা সম্মান করি, কিন্তু আমাদের মাতৃভাষা তামিলই থাকবে সবসময়। ২০১৭-র জাল্লিকাট্টুর সমর্থনে হওয়া প্রতিবাদ-বিক্ষোভের প্রতি ইঙ্গিত করে কমল বলেছেন, ওটা ছিল স্রেফ প্রতিবাদ, কিন্তু আমাদের ভাষাকে রক্ষার লড়াই অবশ্যই তার চেয়ে বড় হবে। ভারত বা তামিলনাড়ুর এমন লড়াই কাম্য নয়। সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ভারত এক চমত্কার বৈচিত্র্যের সম্ভার। সকলে মিলে তাকে উপভোগ করা উচিত। কেউ জোরজবরদস্তির কথা ভাবলে (এই প্রেক্ষাপটে হিন্দি) গা ঘিনঘিন করবে। দয়া করে সেটা করবেন না। জাতীয় সঙ্গীতের উল্লেখ করে কমল বলেছেন, এটা এমন ভাষায় (বাংলা) রচিত যা অধিকাংশ নাগরিকের মাতৃভাষা নয়। কিন্তু অধিকাংশ লোকেই খুশি মনে বাংলায় গর্বের সঙ্গেই জাতীয় সঙ্গীত গান, গাইবেনও। কারণটা হল, যে কবি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেছিলেন, তিনি সব ভাষা, সংস্কৃতিকে সম্মান দেখিয়েছেন। তাই ওটা আমাদের সঙ্গীত হয়েছে। সবাইকে সামিল করে চলা ভারতকে একমাত্রিক চেহারা দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত নয় বলে অভিমত জানিয়ে তিনি বলেছেন, এহেন অ-দূরদর্শী ভুলে সবার ক্ষতি হবে। গত শনিবার অমিত শাহ সারা দেশে যোগাযোগের জন্য একটি ভাষা রাখার পক্ষে সওয়াল করে বলেন, হিন্দিতেই বেশিরভাগ মানুষ কথা বলেন, তাই হিন্দিই সারা দেশকে একসূত্র বেঁধে রাখতে সক্ষম। তিনি বলেন, ভারতে অনেক ভাষা আছে। প্রতিটি ভাষাই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গোটা দেশের এমন এক ভাষা থাকা উচিত যা বিশ্বের দরবারে ভারতের পরিচিতিকে তুলে ধরবে। তাঁর বক্তব্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন ডিএমকে সভাপতি এম কে স্ট্যালিন, কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়াও।
Before You Go
Suvendu Adhikari: '৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে, যাঁরা কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ করবে',বললেন মুখ্যমন্ত্রী

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















