Kerala Teen Athlete Abused: জেলাস্তরের অ্যাথলিটকে নিগ্রহ? ৬৪ জনের লালসার শিকার দলিত কিশোরী? খবর সামনে আসতেই তোলপাড়
Kerala Dalit Girl Abused: কেরলের পতনমতিট্টা থেকে এই অভিযোগ সামনে এসেছে। শিশু কল্যাণ কমিটি (Child Welfare Committee)-র তরফে এ নিয়ে থানায় অভিযোগ জানানো হয়।

তিরুঅনন্তপুরম: নারী নির্যাতনের ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে দেশে। সেই আবহেই কেরল থেকে ভয়াবহ অভিযোগ সামনে এল। দলিত সম্প্রদায়ের এক কিশোরীর উপর পাশবিক অত্যাচার চালানো হয়েছে বলে খবর। গত পাঁচ বছরে ৬৪ জন মিলে তার উপর লালসা মেটায় বলে অভিযোগ করেছেন কিশোরী। মেয়েটি জেলাস্তরের অ্যাথলিট বলে জানা গিয়েছে। (Kerala Teen Athlete Abused)
কেরলের পতনমতিট্টা থেকে এই অভিযোগ সামনে এসেছে। শিশু কল্যাণ কমিটি (Child Welfare Committee)-র তরফে এ নিয়ে থানায় অভিযোগ জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেছে দু'টি থানার পুলিশ। কাউন্সেলিং চলাকালীন ওই কিশোরী তার উপর চলা পাশবিক অত্যাচারের বর্ণনা দিয়েছে মেয়েটি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। (Kerala Dalit Girl Abused)
রুটিন সমীক্ষা চালাতে সম্প্রতি মেয়েটির বাড়িতে পৌঁছয় Mahila Samakya নামের একটি অলাভজনক সংস্থা। মেয়েটির সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই নির্যাতনের কথা জানতে পারেন সংস্থার কর্মীরা। পাঁচ বছর ধরে তার উপর নারকীয় অত্যাচার চলেছে, ৬৪ জন মিলে লালসা মিটিয়েছে বলে জানায় মেয়েটি। এর পর ওই সংস্থার তরফেই শিশু কল্যাণ কমিটির কাছে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়।
জানা গিয়েছে, বিষয়টি জানতে পেরে মেয়েটির কাউন্সেলিং শুরু করে শিশু কল্যাণ কমিটি। সেখানে এক মনোবিদের কাছে যন্ত্রণা উগরে দেয় মেয়েটি। জানায়, ১৩ বছর বয়স থেকে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে সে। এক প্রতিবেশী প্রথমবার পর্নগ্রাফি দেখিয়ে তার উপর নির্যাতন চালায়। এখন মেয়েটির বয়স ১৮ বছর।
স্কুলে খেলাধুলোয় বেশ সক্রিয় মেয়েটি। সেখানেও প্রশিক্ষণ চলাকালীন যৌন নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে বলে জানিয়েছে সে। এমনকি নিগ্রহের ভিডিও তুলেও ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি মেয়েটির। লাগাতার এভাবে নিগ্রহের শিকার হয়ে মেয়েটি ট্রমার মধ্যে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। মেয়েটির বয়ান রেকর্ডের তোড়জোড় চলছে।
শিশু কল্যাণ কমিটির জেলা চেয়ারপার্সন এন রাজীব বলেন, "মামলাটি অত্যন্ত গুরুতর। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকে, গত পাঁচ বছর ধরে নির্যাতন চলছে। প্রকাশ্যেও তাকে নিগ্রহ করা হয়। খেলাধুলোর জন্য বিভিন্ন শিবিরে যেতে হয়েছে মেয়েটিকে। সেখানেও তাকে নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে হয়ত।" রাজীব জানিয়েছেন, মেয়েটির নিরাপত্তা তাঁদের দায়িত্ব। সবরকম ভাবে তার খেয়াল রাখা হবে। মেয়েটি বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করত। ফোনের কললিস্ট দেখেও বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা গিয়েছে জানা গিয়েছে। আপাতত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েটিকে। এই ঘটনায় অনেক হড় নামও জড়িয়ে থাকতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।






















