TMC News: 'আমি কিন্তু এখনও চেয়ারে আছি, সারারাত জেগে...', ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Mamata Banerjee: ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। কমিশনের ভূমিকায় প্রশ্ন।

কলকাতা: নিজের ঠিক করা নিয়ম নিজেই ভেঙেছেন। বাড়িতে না থেকে ভোটের দিন সকাল থেকে রাস্তায় তিনি। এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। নির্বাচন কমিশন এবং ভবানীপুরের অবজার্ভারদের নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন। মমতার দাবি, অবজার্ভাররা থানায় গিয়ে চাপ দিচ্ছেন। তৃণমূলের লোকজনকে গ্রেফতার করতে বলছেন। এভাবে ভোট করানো নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি। (Mamata Banerjee)
এদিন মমতা বলেন, "মানুষের অধিকার রক্ষার প্রশ্ন। আমি চাই, আমাদের দলও চায়...এখনও যে চেয়ারে আছি, দলের চেয়ারেও আছি. দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে বলছি, ভোটটা শান্তিতে হোক। মানুষকে অধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হেোক। কিন্তু বিশেষ কিছু অবজার্ভার আনা হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক পুলিশ অফিসার নিয়ে আসা হয়েছে, যারা বাংলাকে বোঝে না। আমি কিন্তু সারা রাত জেগে ছিলাম। এবং অবজার্ভাররা থানায় গিয়ে প্রেসার ক্রিয়েট করছে। আমাদের দলকে টার্গেট করে যে সব এজেন্টকে গ্রেফতার করো।" (TMC News)
মমতা আরও বলেন, "আমার ইয়ুথের ব্লক প্রেসিডেন্টকে সকালেও অ্যারেস্ট করেছে। তার জন্য চেতলায় যেতে হয়েছিল আমাকে। থানায় আৎ আমি যাইনি। ববি গিয়ে ছাড়িয়ে এনেছে। বাবাই ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। এলাকার পপুলার ছেলে। তার বাড়িতে গিয়ে রাত্রি ২টোর সময় সিআরপিএফ-এর একদল গুন্ডা, সরি সিআরপিএফ ফোর্স, স্থানীয় পুলিশ ছাড়া বাড়িতে হামলা করা হয়। ওর বউ একা বাড়িতে ছিল বাচ্চাকে নিয়ে। বলেছে বাবাই নেই। সত্যিই ছিল না। লাথিটাথি মেরে, ওর ফোন কেড়ে নিয়ে বলেছে বাবাই যেন কোনও কাজ না করে। আমি আপনাদের দেখাতে পারি, ওর বাড়িতে রাতের বেলায়..."
আরও পড়ুন: ভবানীপুরে মমতার ভাইকে হুঁশিয়ারি পুলিশের, কার্তিক বন্দ্যোপাধ্য়ায় বললেন, ‘সন্ত্রস্ত পরিবেশ...'
এর পর নিজের মোবাইল ফোনেই একটি ভিডিও দেখান মমতা। একটি ছবিও দেখান তিনি, যা ভাঙড়ের বলে জানান। মমতা বলেন, "ভাঙড়ে নৃশংসতা দেখুন। পুলিশ এভাবে মেরেছে। ওসি এর জন্য দায়ী। এভাবে অত্যাচার করেছে। এর পরও মানুষ ওদের ভোট দেবে! আমাদের কর্মীদের রাতে মেরেছে। এটা কী গুন্ডারাজ চলছে? দেশ বিক্রি করে দিয়েছি। এভাবে ভোট হয়? এভাবে ভোট হয় না। শান্তিপূর্ণ ভোট হয়। গণতন্ত্রের উৎসব ভোট। কিন্তু গণতন্ত্রের ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে। উদ্দেশ্য স্পষ্ট, বিজেপি জোর করে ভোটে কারচুপি করতে চাইছে। আমাদের লোকজন মরতেও প্রস্তুত।"






















