Saltlake Murder Update: ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন শরীরে, সল্টলেকে বিমার এজেন্ট খুনে রহস্য
Salt Lake Insurance Agent Death: পুলিশ সূত্রে দাবি, স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সুজয় মণ্ডল (Sujoy Mondol) নামে এক যুবককে ওই বাড়ি থেকে ধারাল অস্ত্র (Arms) হাতে বেরোতে দেখা গেছে। ঘটনার পর থেকেই সুজয় পলাতক।
আবির দত্ত, কলকাতা: সল্টলেকের (Saltlake) সেক্টর ফাইভে (Sector V) এক বিমার এজেন্টেকে (Insurance Agent) খুনের ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। গতকাল সন্ধেয় মহিষবাথানের উদয়নপল্লিতে একটি ফাঁকা বাড়ির উঠোনে নির্মলচন্দ্র মজুমদার (Nirmal Chandra Majumder) নামে ওই প্রৌঢ়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সল্টলেক ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ (Saltlake Electronics Police Station) ওই ব্যক্তিকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর গলা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ সূত্রে দাবি, স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সুজয় মণ্ডল (Sujoy Mondol) নামে এক যুবককে ওই বাড়ি থেকে ধারাল অস্ত্র (Arms) হাতে বেরোতে দেখা গেছে। ঘটনার পর থেকেই সুজয় পলাতক।
উদয়ন পল্লিতে বেশ কয়েকটি পরিবার ভাড়া থাকে। নিহত নির্মল চন্দ্র মজুমদারও সেখানেই ভাড়া থাকতেন। সেই ঘরের বাইরে এখনও দাগ রয়েছে রক্তের। স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, দেখতে পাই দরজা খোলা। নির্মল চন্দ্র মজুমদারের দেহ পড়ে রয়েছে। গলায় আঘাত আর রক্ত পড়ে ছিল। ইতিমধ্যেই খোঁজ শুরু করা হয়েছে। কেন খুন? আর্থিক লেনদেন না কি অন্য কোনও কারণে? ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার থিয়েটার রোডের এক বহুতলে ৯১ বছরের বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যু হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সেদিন সকালে ছাদে ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন বৃদ্ধার ছেলে। তিনি সকাল সাড়ে ৭টায় নীচে নেমে দেখেন, বৃদ্ধার রক্তাক্ত মৃতদেহ উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছে বেড রুমে। মুখে-নাকে রক্ত লেগে ছিল। বৃদ্ধার ছেলেই খবর দেন পুলিশকে। ঘটনাস্থলে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ, লালবাজারের হোমিসাইড শাখার অফিসাররা যান। ঘটনাস্থলে পৌঁছোন জয়েন্ট সিপি ক্রাইম ছাড়াও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
চৌধুরী পরিবারের প্রাক্তন গাড়িচালক দুধকুমার ঢলের দিকে সন্দেহ বাড়ছিল পুলিশের। কারণ, অতীতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট থেকে লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী হাতানোর অভিযোগ উঠেছিল। বৃদ্ধা খুনের পরে আবাসনের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, রবিবার এবং সোমবার - পরপর দু’দিন চৌধুরীদের ফ্ল্যাটে আসেন দুধকুমার ঢল। পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে দুধকুমারকে ট্র্যাক করতে শুরু করে পুলিশ। যদিও ওই ব্যক্তির মোবাইল ফোন সুইচড অফ ছিল। শেষপর্যন্ত বিভিন্ন সূত্র মারফৎ পুলিশ জানতে পারে দুধকুমার ঢল হুগলির ডানকুনিতে আছেন। মঙ্গলবার সন্ধেয় তাঁকে সেখান থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুমকি চিঠির মামলায় গ্রেফতার এক চিকিত্সক-সহ ৩