Ajit Pawar Death: বিমান ভেঙে পড়ার মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল? ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন প্রত্যক্ষদর্শী
Ajit Pawar Death in Plane Crash: এদিন বারামতী এলাকায় ছিল ঘন কুয়াশা। ফলে দৃশ্যমানতা কম ছিল। আর এই এলাকা পাহাড়ি অঞ্চল। খারাপ আবহাওয়ার কারণেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে অনুমান। তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে সব।

Ajit Pawar Death:ভেঙে পড়ার আগে ২ বার অবতরণের চেষ্টা করেছিলেন পাইলট। বারামতী বিমানবন্দরে দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করার প্রায় পরমুহূর্তেই ভেঙে পড়ে বিমানটি। ফ্লাইট ট্র্যাকিং Flightradar24 সূত্রে খবর, বুধবার সকালে বারামতী বিমানবন্দরে দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করেছিল অজিত পাওয়ারের প্রাইভেট জেট। সূত্রের খবর, অবতরণের আগে নিয়ন্ত্রণে হারিয়ে ভেঙে পড়ে Learjet 45 বিমানটি। এই বিমান একটি বেসরকারি সংস্থা VSR Ventures দ্বারা দেখভাল করা হয়। বুধবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ভেঙে পড়েছে এই বিমানটি। আজ সকাল ৮টা নাগাদ মুম্বই থেকে উড়েছিল অজিত পাওয়ারের প্রাইভেট জেট। মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী ছাড়া বিমানে ছিলেন আরও ৪ জন। ডিজিসিএ জানিয়েছে, ৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, রানওয়েতে ঢোকার অন্তত ১০০ ফুট আগেই ভেঙে পড়েছিল বিমানটি। নিমেষে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় বিমানটি। দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে ওই বিমান। অন্তত ৪-৫ বার বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে। চোখের নিমেষে মারাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওই প্রত্যক্ষর্দশী এও জানিয়েছেন, বিমানটি নীচের দিকে হেলে ছিল। দেখেই মনে হচ্ছিল ভেঙে পড়বে। আর ঠিক তাই হয়েছে। বিমানটি ভেঙে পড়তে দেখেই আশপাশ থেকে ছুটে আসেন অনেকে। যাত্রীদের বের করার চেষ্টাও করতে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু মারাত্মক আগুন থাকায় বিশেষ এগোতে পারেননি কেউই। ভয়াবহ এই বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এনসিপি প্রধান এবং মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, তাঁর দুই সহায়ক এবং বিমানের কমান্ডিং পাইলট ও ফার্স্ট অফিসারের। নির্বাচনী প্রচারে যাচ্ছিলেন অজিত পাওয়ার। বারামতীতে চারটি র্যালিতে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল তাঁর।
কিন্তু কেন ঘটল এই দুর্ঘটনা
তদন্ত শুরু হয়েছে। ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হবে। ককপিটের রেকর্ড বক্সও খতিয়ে দেখা হবে। তবে এর মাঝেই শোনা যাচ্ছে, আরেকটি সম্ভাবনার কথা। আজ বারামতী এলাকায় ছিল ঘন কুয়াশা। ফলে দৃশ্যমানতা কম ছিল। পুণে জেলার বারামতী এলাকার এই খারাপ আবহাওয়ার কারণেও বিমান দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। বারামতী এলাকা একটি পাহাড়ি এলাকা। সেখানে দৃশ্যমানতা কম থাকলে উড়ানে সমস্যা হতে পারে। আর এই সবকিছুর জেরে বিমান ভেঙে পড়তে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। ডিজিসিএ- এর উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বিমানের ভেঙে পড়া অংশ ভালভাবে পরীক্ষা করা হবে। নিখুঁতভাবে ছবিও তোলা হবে ওইসব ভেঙে যাওয়া জিনিসের। এর মাধ্যমে ভেঙে পড়ার সময় বিমানের অভিমুখ কোন দিকে ছিল, গতি কত ছিল তা জানতেই এইসব পরীক্ষা করা হবে। ওই অঞ্চলের আবহাওয়া কি উড়ানের জন্য উপযুক্ত ছিল, তা জানতে উড়ানের আগের বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়াও শেষ মুহূর্তে পাইলটরা কি করেছিলেন তা জানতে পরীক্ষা করা হবে ককপিটের ভয়েস রেকর্ডাএ। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের অফিশিয়াল কথোপকথনও খতিয়ে দেখা হবে। কী ভুল ছিল তা জানতে আবহাওয়ার অবস্থা, রানওয়ের পরিস্থিতি, হাওয়ার গতিবিধি সবই খতিয়ে দেখা হবে এই তদন্তের মাধ্যমে।






















