Mumbai News : জন্মদিন ছিল স্ত্রী'র, বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল ডিনারে, ট্রেন সফরেই খুন মুম্বইয়ের অধ্যাপকের
Mumbai Professor Death : বাড়ি অবধি আর পৌঁছোতে পারেননি ৩৩ বছরের ওই অধ্যাপক। ট্রেন সফরেই শেষ হয়ে গিয়েছেন তিনি। মালাড স্টেশনে নেমে আচমকাই ছুরি বের করে অলোকের উপর চড়াও হন ওমকার।

Mumbai News : মুম্বইয়ের লোকাল ট্রেনে ঘটেছে ভয়ঙ্কর ঘটনা। ভিড় ট্রেনে ওঠা-নামা নিয়ে বচসার জেরে প্ল্যাটফর্মে নেমে এক যাত্রীক ছুরি দিয়ে কুপিয়েছেন আরেকজন। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মুম্বইয়ের এক কলেজ অধ্যাপক অলোক কুমার সিংয়ের। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত ওমকার শিন্ডে নামের যুবককে। মালাড স্টেশনে ঘটেছে এই নৃশংস ঘটনা। সবচেয়ে করুণ বিষয় হয়, ঘটনার দিন স্ত্রী'র সঙ্গে ডিনারের পরিকল্পনা ছিল অলোকের। সেদিন জন্মদিন ছিল অলোকের স্ত্রী'র। সেই উপলক্ষ্যে রাতে একসঙ্গে খেতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। সেই জন্য শনিবার কলেজ শেষের পর আর সময় নষ্ট করেননি অলোক। বেরিয়ে পড়েছিলেন তাড়াতাড়ি। সহকর্মীদের জানিয়েছিলেন স্ত্রী'র সঙ্গে ডিনারের পরিকল্পনার কথা।
কিন্তু বাড়ি অবধি আর পৌঁছোতে পারেননি ৩৩ বছরের ওই অধ্যাপক। ট্রেন সফরেই শেষ হয়ে গিয়েছেন তিনি। মালাড স্টেশনে নেমে আচমকাই ছুরি বের করে অলোকের উপর চড়াও হন ওমকার। ধারাল ছুরি দিয়ে ক্রমাগত আঘাত করতে থাকেন তলপেটে। চোখের নিমেষে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অলোক। প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই জানিয়েছেন, গোটা এলাকা তখন রক্তে ভেসে যাচ্ছিল। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে জিআরপি। অধ্যাপককে উদ্ধার করে হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে অলোককে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ২৭ বছরের অভিযুক্তকে স্টেশনের সিস্টিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। পালিশের কাজ করেন ধৃত ওমকার, এমনটাই জানা গিয়েছে। অপরাধ করার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। তাঁর ৫ দিনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সং হিতা অনুসারে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে এখনও খুনের অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি।
৩৩ বছরের অলোক কর্মরত ছিলেন ভিলে পার্লের এন এম কলেজে। ঘটনার দিন ট্রেনে করে কান্দিভালি যাচ্ছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত অলোকের বাবা, অনিল কুমার সিং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত। ছেলের মৃত্যুর সময় দিল্লিতে ছিলেন তিনি। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে উদযাপনের প্রস্তুতির কাজ দেখতে দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই ছেলের মৃত্যুসংবাদ পান তিনি। শনিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, অলোকের বাবা প্রতিরক্ষ মন্ত্রী নিরাপত্তা সংক্রান্ত উপদেষ্টা হিসেবে একাধিক দেশে কাজ করেছেন। আর তাঁর ছেলের সঙ্গেই ঘটেছে এ হেন মর্মান্তিক ঘটনা।






















