NEET-UG পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস , কড়া পর্যবেক্ষণ সুপ্রিমকোর্টের, কেন্দ্রকে কী জানালেন বিচারপতিরা?
গোটা পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিস্তারিত ও সামগ্রিক রিপোর্ট (Holistic View) আদালতে জমা দেওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় চায় সরকার।

নয়াদিল্লি : NEET-UG পরীক্ষার একাধিক ত্রুটি নিয়ে এবার কেন্দ্রকে কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে প্রশ্নফাঁস মামলায় সুপ্রিম কোর্টে শুনানিতে বড় আশ্বাস দিল কেন্দ্র।
বিচারপতি পিএস নরসিমা এবং বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ জানায়, NEET ইস্যুটি আদালত "খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ" করছে এবং নিয়মিত এই বিষয়ে নজর রাখা হবে। আদালত জানতে চায়, অনলাইন পরীক্ষার ব্যবস্থায় যাওয়ার ক্ষেত্রে কী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের তথ্যের সুরক্ষা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, কম্পিউটারভিত্তিক পরীক্ষায় ডেটা সুরক্ষা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে এবং গোটা প্রক্রিয়াকে কীভাবে ত্রুটিমুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে। কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি আদালতকে জানান, পড়ুয়াদের স্বার্থে সরকার প্রয়োজনের চেয়েও বেশি পদক্ষেপ করছে। পাশাপাশি গোটা পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিস্তারিত ও সামগ্রিক রিপোর্ট (Holistic View) আদালতে জমা দেওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় চান তিনি।
আদালতে সলিসিটর জেনারেল জানান, প্রশ্নফাঁস রুখতে সরকার ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। আদালতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, "ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থের ব্যাপারে আমরা অত্যন্ত সচেতন। রাধাকৃষ্ণন কমিটির সুপারিশগুলি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। তবে শুধু এটুকুই নয়, সরকার আরও কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে। দয়া করে আমাদের এক সপ্তাহ সময় দিন। আমরা পরবর্তী শুনানিতে আদালতকে বিস্তারিত তথ্য জানাব।"
কেন্দ্রের বক্তব্যের পর সুপ্রিম কোর্টও জানায়, "আমরাও চাই গোটা পরীক্ষা ব্যবস্থা যেন সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত হয়।" আদালত স্পষ্ট করে দেয়, পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৩ অগাস্ট নির্ধারণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রশ্নফাঁস মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, পরীক্ষার ব্যবস্থায় যে ধারাবাহিক ভুল সামনে এসেছে, তা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি NEET-UG-কে কম্পিউটারভিত্তিক পরীক্ষায় (Computer-Based Testing) নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েও কেন্দ্রের কাছে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে আদালত।
এদিকে, রাজধানীর নিরাপত্তা রক্ষায়, শুক্রবারও ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন বন্ধ রাখল দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে
লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চৌক, প্যাটেল চৌক, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও দিল্লি গেটের মতো
গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষ। অশান্তি ঠেকাতে যন্তরমন্তরে বন্ধ রাখা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা।
আরও পড়ুন : প্রশ্নফাঁস বিতর্কে উত্তাল রাজধানী, প্রভাব পড়বে এ রাজ্যেও? মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন ...























