Sonam Raghuvanshi : ''ওকে মারো' চিৎকার করে নির্দেশ দেয় সোনম! তারপর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে স্বামীর মৃত্যু''
Sonam Raghuvanshi Arrested : দাবি, সোনমের প্রেমিক রাজ, সোনমের স্বামী রাজা রঘুবংশীকে শিলংয়ের নিয়ে আসতে বলেছিল। ঠিক করা হয়েছিল শিলংয়েই খুন করা হবে

রাজা রঘুবংশী হত্যাকাণ্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর মোড়। এ যেন অপরাধমূলক কাহিনি নির্ভর ওয়েবসিরিজকেও হার মানায়। সূত্রের খবর, বিয়ের দিনই নাকি সোনমের প্রেমিক রাজ, সোনমের স্বামী রাজা রঘুবংশীকে শিলংয়ের নিয়ে আসতে বলেছিল। ঠিক করা হয়েছিল শিলংয়েই খুন করা হবে রাজাকে। এখানেই শেষ নয়, সূত্রের দাবি, খুনের পর নেপালে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সোনম রঘুবংশী। কিন্তু তা হয়নি, পরে পরিকল্পনা বদলায়।
এই মুহূর্তে আরও একটি আপডেট উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, রাজা রঘুবংশীর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত চার অভিযুক্তই নাকি অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তরা জানায়, রাজাকে তাঁর স্ত্রী সোনমের সামনে হত্যা করা হয়েছিল। তার পরে দেহটি খাদে ফেলে দেওয়া হয়। সোনমকেই এই হত্যার মূল ষড়যন্ত্রকারী বলেই মনে করছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে , সোনমই চিৎকার করে নির্দেশ দেয় , ওকে মারো !
সূত্রের দাবি, ২৩ মে, ফটোশ্যুটের নামে রাজা রঘুবংশীকে এক নির্জন পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যায় ধৃত স্ত্রী সোনম। আশেপাশেই ছিল ৩ সুপারি কিলার। খুন করার আগে হিন্দিতে রাজার সঙ্গে কথাও বলে তারা। এরপর, আচমকা ক্লান্তির ভান করে সুপারি কিলারদের পিছনে হাঁটতে শুরু করেন সোনম। এক নির্জন জায়গায় গিয়ে খুনিদের উদ্দেশে চিৎকার করে সোনম বলে, 'ওকে মেরে ফেলো'। সেদিনই দুপুর ২ টো ১৫ মিনিটে রাজার সোশাল মিডিয়া থেকে সোনম এক পোস্টে লেখেন - 'সাত জন্মোঁ কা সাথ হ্যায়'।
মঙ্গলবার ইনদৌর ক্রাইম ব্রাঞ্চ জানিয়েছে , রাজা রঘুবংশী হত্যার ঘটনায় চার অভিযুক্ত তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন অনুসারে, এসিপি পুনম চাঁদ যাদব বলেছেন, "অভিযুক্তরা কেবল হত্যার কথা স্বীকারই করেনি বরং দাবি করেছে যে হত্যার সময় রাজার স্ত্রী সোনম রঘুবংশী উপস্থিত ছিল। সে সামনে দাঁড়িয়ে রাজাকে মরতে দেখেছিল।"
রাজা রঘুবংশী হত্যা মামলায় SIT তদন্ত বুধবার থেকে শুরু করছে । সোনম এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের আজ, বুধবার শিলং আদালতে হাজির করা হচ্ছে। হাজিরার আগে,সবার মেডিক্যাল পরীক্ষাও হবে। এই সময়ের মধ্যে, বিশেষ তদন্ত দল (SIT) সোনমকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে। শিলং পুলিশ বাকি অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে ।
আজ, বুধবারই পুলিশ অপরাধস্থলে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার পরিকল্পনা করেছে। তদন্তের সময়, শিলং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণও পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি শার্ট, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, একটি রেনকোট, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র, খুনিদের রক্তমাখা পোশাক এবং তাদের আঙুলের ছাপ।






















