এক্সপ্লোর
Taslima Nasrin: 'পাকিস্তান জঙ্গি ঘাঁটি না গুঁড়িয়ে দিলে ভারতের ওপরেই দায়িত্ব পড়ে', লিখছেন তসলিমা নাসরিন
Taslima Nasrin on Operation Sindoor: সোশ্যাল মিডিয়ায় তসলিমা লিখছেন, 'না, যুদ্ধ টুদ্ধ কিছু নয়। পাকিস্তানের ন'টা জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দিয়ে এসেছে ভারত। এটার দরকার ছিল'

'পাকিস্তান জঙ্গি ঘাঁটি না গুঁড়িয়ে দিলে ভারতের ওপরেই দায়িত্ব পড়ে', লিখছেন তসলিমা নাসরিন
Source : PTI
কলকাতা: তিনি লেখিকা, বর্তমানে তাঁর বাসস্থান ভারত। নিজের লেখায় বারে বারেই তিনি গর্জে উঠেছেন অপমানের বিরুদ্ধে, লিখেছেন প্রতিবাদের কথা, প্রতিরোধের কথা। আজ, 'অপারেশন সিঁদুর'-এর মাধ্যমে পাকিস্তানে থাকা একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ভারতীয় সেনা। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার জবাব এল ১৫ দিনের মাথায়। মধ্যরাতে মাত্র ২৫ মিনিটের অপারেশন, জইশ-লস্কর-হিজবুলের ৯ ঘাঁটি ধ্বংস করা হল। আর সেই দিনই, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মতামত লিখলেন তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)।
কী লিখলেন তসলিমা?
সোশ্যাল মিডিয়ায় তসলিমা লিখছেন, 'না, যুদ্ধ টুদ্ধ কিছু নয়। পাকিস্তানের ন'টা জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দিয়ে এসেছে ভারত। এটার দরকার ছিল। ভারতের ভেতর জিহাদ করতে ঢুকবে, নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করবে, আর বিনিময়ে কোনও চড়-থাপ্পড় পর্যন্ত খাবে না, তা তো হয় না। যেখানে যত জঙ্গি ঘাঁটি আছে, সব উড়িয়ে দেওয়া দরকার। পাকিস্তান যদি নিজেদের জঙ্গি ঘাঁটি নিজেরা উড়িয়ে না দেয়, তবে তা দেওয়ার দায়িত্ব তো ভারতের ওপরই পড়ে'।
এরপরে, সন্ধ্যায় তসলিমা আরও একটি পোস্ট শেয়ার করেন, সঙ্গে একটি ছবি। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ভারতের পতাকার সঙ্গে একজন মহিলা সেনার ছবি। তার সঙ্গে তিনি লিখেছেন, 'পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং পাকিস্তান আর বাংলাদেশের চরম ভারতবিদ্বেষী আর হিন্দুবিদ্বেষী জিহাদি মুসলমানরা ভেবেছিল কাল রাতে ভারতের মিসাইল আক্রমণ ছিল হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে যুদ্ধ। ভুল। ওটি মুসলমানের বিরুদ্ধে হিন্দুর যুদ্ধ ছিল না, ছিল জঙ্গির বিরুদ্ধে জঙ্গিবিরোধী মানুষের যুদ্ধ। সে কারণেই পাকিস্তানে মিসাইল ছুড়ে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করেছেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর মুসলমান যোদ্ধা সোফিয়া কুরেশি।'
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় আরও একটি পোস্ট করেছিলেন তসলিমা। সেখানে লেখা, 'বাপ ঠাকুর্দার দেশের প্রতি মানুষের একটু হলেও মায়া থাকে। কিন্তু আসিম মুনিরের মায়া বলতে কিছু নেই। তিনি কি বাপ ঠাকুর্দার ভিটে দেখতে কখনও এসেছিলেন জলন্ধরে? হয়তো আসেননি, কারণ তাঁর ভারতবিদ্বেষ লাগামছাড়া। ছোটবেলায় রাওয়ালপিণ্ডির মাদ্রাসায় বসে কোরান মুখস্ত করতে শিখেছেন, কোরানকে গুলে মস্তিস্কে ঢুকিয়ে ফেলতে শিখেছেন। বাবা মসজিদের ইমাম, সুতরাং তাঁর কাছে মসজিদই ছিল বাড়িঘর। মসজিদে-মাদ্রাসায় বড় হওয়া ছেলে, কোরান হাদিসে কী লেখা আছে জানেন। লেখা আছে জিহাদ করো, বিধর্মী মারো। শৈশব থেকে মন্ত্রের মতো আওড়েছেন সেই সব আয়াত। মাদ্রাসা পাশ করা ইমাম -পুত্র গেলেন আর্মিতে। ক্যু করে ক্ষমতা নেওয়া, মৌলবাদিদের প্রশ্রয় দেওয়া জিয়াউল হকের শিষ্য হলেন। এই জিহাদি সেনাপ্রধান জোয়ানদের জিহাদ করার জন্য উৎসাহ দেন, শুধু ইংরেজি আর উর্দু নয়, সেনাদের মুগ্ধ করতে রসুলের ভাষা আরবিতেও কথা বলে ওঠেন। সেনাদের হয়তো ফাঁক পেলেই গাজওয়াতুল হিন্দের স্বপ্ন দেখান। এখন যতই চোয়াল শক্ত করুন, মুষ্টিবদ্ধ করুন হাত, তিনি কিন্তু প্রতিশোধ নিতে ভারতের কোনও টেরর ক্যাম্পে মিসাইল ছুড়তে পারবেন না, এর একটিই কারণ পাকিস্তানের মতো ভারতে টেরর ক্যাম্প নেই।'
খবর (News) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















