Teachers Suspended : 'শিক্ষকরা দেরি করে আসেন, ক্লাস নেন না', মাইনে কাটার পর এবার সাসপেন্ড ৬ প্রাথমিক শিক্ষক
Teachers Suspended : একটি ভাইরাল ভিডিওতে শিক্ষকদের অনুপস্থিতি ও ভুল তথ্যের অভিযোগ উঠলে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্ত হয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বাংলায় চাকরি গিয়েছে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের। চাকরি বাতিল নিয়ে এখন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি বাংলায়। এরই মধ্যে বারাণসীতে শাস্তি পেলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। কর্মকর্তার তরফ থেকে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই কেউই সময়মতো বিদ্যালয়ে আসতেন না। ছাত্রছাত্রীদের পড়াতেনও না যত্ন নিয়ে। তাঁদের বিষয়ে অভিযোগের পাহাড় জমে গিয়েছিল।
কী কী কারণে এই পদক্ষেপ?
এর আগেই তাদের সতর্ক করা হয়। বেতল কাটা হয়। তারপরও তাঁরা সতর্ক হননি। এরপর আরও কড়া পদক্ষেপ নেন প্রাথমিক শিক্ষা দফতরের কর্মকর্তা। শিক্ষকদের বরখাস্ত করার পর জেলায় আন্দোলনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে । অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষকই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। অভিযোগ, এরকম বহু শিক্ষকেরই পঠনপাঠনে কোনও আগ্রহ ছিল না।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ডাঃ অরবিন্দ কুমার পাঠক জানিয়েছেন, কাশী বিদ্যাপীঠের প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, সেখানে পাঠদানের কোনও পরিবেশ নেই। এছাড়াও, সময়মতো শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে আসেন না। গত ৭ মার্চ ইন্সপেকশনও করা হয় দফতরের তরফে । এরপর বেতন বন্ধ করে সকলকে সতর্ক করা হয়।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পদক্ষেপ
কিন্তু তারপরেও কোনও উন্নতি হয়নি। অভিযোগ, শিক্ষকরা কাজে অবহেলা করেই যাচ্ছিলেন। এই সময় একটি ভিডিওও ভাইরাল হয় সেই সংক্রান্ত। তারপর আবার ইন্সপেকশন হয়। তখনও শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।
মাস্টারমশাইরা ঠিক সময় স্কুলে আসেন না, অভিযোগ
অবাক করা বিষয় হল, এই সময় মাত্র ৯ জন ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল। বিদ্যালয়ের পরিস্থিতি ইন্সপেকটরদের চোখে মোটেও ভাল ঠেকেনি। পড়াশোনার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ ছিল। মাস্টারমশাইরা ঠিক সময় স্কুলে আসেন না বলে অভিযোগ তো ছিলই। এবার তা চাক্ষুষ করলেন ইন্সপেকটররাও। তারপরই এই পদক্ষেপ করা হয় প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ক দফতরের তরফে।
এরপরই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তরফ থেকে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিপুরের ৬ জন শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়। সূত্রের খবর, এই ঘটনার পর অন্যান্য বিদ্যালয়ে, কাজে অবহেলা করা শিক্ষকদের মধ্যেও আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জেলায় শিক্ষকদের একাংশ প্রশাসনিক এই পদক্ষেপের বিরোধিতাও করেছেন।






















