Pakistan News : পাকিস্তানের ৩০ জঙ্গির 'খেল খতম' ! নিখুঁত অপারেশন ভারতীয় এজেন্টের, লস্কর অপারেটিভের চাঞ্চল্যকর দাবি!
ভারতীয় এজেন্ট পাকিস্তানে ঢুকে পরপর একা হাতে খতম করল ৩০ ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসবাদীকে। গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল একের পর এক জঙ্গিকে। লস্কর-ই-তৈবার কুখ্যাত জঙ্গি সরাসরি ক্যামেরার সামনে এসে এবার এই দাবি করল।

এ যেন বলিউড সিনেমার স্ক্রিপ্ট। টানটান চিত্রনাট্য। ভারতীয় এজেন্ট পাকিস্তানে ঢুকে পরপর একা হাতে খতম করল ৩০ ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসবাদীকে। গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল একের পর এক জঙ্গিকে। লস্কর-ই-তৈবার কুখ্যাত জঙ্গি সরাসরি ক্যামেরার সামনে এসে এবার এই দাবি করল। এক ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট নাকি পাক-মাটিতে ঢুকে বিভিন্ন সময় অপারেশন চালিয়েছে। বন্দুক হাতে খতম করেছে জঙ্গিদের । এক ভাইরাল ভিডিওতে লস্করের ওই সদস্যের দাবি, গত কয়েক বছরে এক ভারতীয় এজেন্ট বিভিন্ন সময়ে পাকিস্তানে ঢুকে ৩০-এরও বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে।
হালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে, লস্করের অপারেটিভ রিজওয়ান হানিফকে বক্তৃতা দিতে দেখা যাচ্ছে। সেখানে সে দাবি করেছে, গত কয়েক বছরে এক ভারতীয় এজেন্ট পাকিস্তানে ঢুকে ৩০-এর বেশি জঙ্গিকে মেরে ফেলেছে। তার দাবি, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা তাদের এক এজেন্টতে ঢুকিয়েছে পাকিস্তানে। আর তিনিই গত কয়েক বছরে ৩০-এর বেশি জঙ্গিকে মেরে ফেলেছেন। এরপর ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে হিন্দুদের বিরুদ্ধে তাকে তাতাতে শোনা যায়।
এই কুখ্যাত জঙ্গির দাবি, গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তানে যখনই কোনো জঙ্গি হত্যার ঘটনা ঘটত, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় 'অননোন গানম্যান' হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড করতে শুরু করত। লস্কর জঙ্গি হানিফের দাবি, 'পাকিস্তানের বহু শহরে আমাদের ভাইদের হত্যা করা হয়েছে। পেশোয়ার, করাচি, রাওয়ালপিণ্ডি, মুজাফফরাবাদ এবং রাওয়ালকোটের বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানিদের মেরেছে ওই গানম্যান' ।
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলিরও নজরে এসেছে এই ভিডিও। তারা ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। তারাই নিশ্চিত করেছে, এই ভিডিওতে যে ব্যক্তিকে কথা বলতে দেখা গিয়েছে, সে লস্করের কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদী। ভারত একে খুঁজছে। হানিফের দাবি, ভারতই এই খুনগুলো করিয়েছে। তবে তার দাবি মিথ্য বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। ভিডিওটিতে রিজওয়ান হানিফকে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও বিদ্বেষপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করতেও শোনা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এইভাবেই সন্ত্রাসবাদীরা ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়িয়ে দিতে চাইছে। সাধারণ মানুষকে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিতে চাইছে ধর্মীয় অনুভূতিকে হাতিয়ার করে।























