Iran Israel Conflict: "সেনা পাঠিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়..", কার্যত যুদ্ধের বিরুদ্ধে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির
Modi On US Israel strikes on Iran:পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

নয়াদিল্লি: 'নীরব কেন মোদি ?' গতকয়েকদিন ধরে ইতিমধ্যেই বিরোধীদের এই প্রশ্ন শিরোনামে। অবশেষে নিজের মতামত প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কার্যত যুদ্ধের বিরুদ্ধে বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,' সেনা পাঠিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, আমরা সর্বত্র শান্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।'
আরও পড়ুন, রাজ্যসভা নির্বাচনে আজ বিধানসভায় মনোনয়ন পশ্চিমবঙ্গের ৫ প্রার্থীর, কী বললেন কোয়েল-বাবুলরা ?
'একটা সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে সারা বিশ্ব। ইউক্রেন থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বের অনেক জায়গায় যুদ্ধের পরিস্থিতি। আমরা আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পক্ষে। ইউক্রেন থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বের অনেক জায়গায় যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই রকম বিশ্ব পরিবেশে ভারত এবং ইউরোপ , দুনিয়ার সবথেকে বড় কূটনৈতিক ক্ষমতা সম্পন্ন, একটা সুন্দর সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।.. রুল অব ল্য এবং ডিপ্লোমেসিতে বিশ্বাস রাখি। তাই শুধুমাত্র সেনা পাঠিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ইউক্রেন হোক বা পশ্চিম এশিয়া, আমরা সর্বত্র শান্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব', পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্য়ে বছরের পর বছর ধরে যুদ্ধ চলছে! তারইমধ্য়ে আরও একটা যুদ্ধ। একদিকে আমেরিকা-ইজরায়েল। অন্যদিকে ইরান। এই পরিস্থিতিতে ভারত শান্তির পক্ষে সওয়াল করেছে। ভারত বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রী বলেন, ভারতের বরাবর এই অবস্থানই থেকেছে যে, এই ধরনের যে পরিস্থিতিই হোক,... এর সবকিছুরই সমাধান কথা বলে আর শান্তিপূর্ণ পথ অবলম্বন করে হওয়া উচিত। কিন্তু বিরোধীরা বারবার একটাই প্রশ্ন তুলছে, আমেরিকা-ইজরায়েল যৌথ হামলা চালিয়ে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে মেরে দিল, অথচ নরেন্দ্র মোদি একবারও তাঁর নিন্দা করলেন না কেন? এটা কি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নতি স্বীকার নয়? সোশাল মিডিয়ায় রাহুল গান্ধী লিখেছেন, ভারতকে নৈতিকভাবে স্পষ্ট থাকতে হবে।আন্তর্জাতিক আইন ও মানুষের জীবন রক্ষায় আমাদের স্পষ্টভাবে কথা বলার সাহস থাকা উচিত। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই বলতে হবে, বিশ্বব্যবস্থায় একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা কি তিনি সমর্থন করেন?
প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র সুমন রায় চৌধুরী বলেন, ইন্দিরা গান্ধী একসময় গ্রুপ অফ নেশনসের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। প্য়ালেস্টাইনের ক্ষেত্রে এবং সামগ্রিকভাবে মধ্য প্রাচ্যের ক্ষেত্রে ভারতবর্ষের একটা বিরাট ভূমিকা ছিল। যে কারণে কাশ্মীরের মতো স্পর্শকাতর একটা ইস্যুতেও সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ইরান আমাদের পাশে ছিল। সেই তাদের ধর্মগুরু সুপ্রিম লিডারের হত্য়ায় আজকে নির্লজ্জভাবে ভারত সরকার নীরব হয়ে রয়েছে। উল্টে নেতানিয়াহু এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের পায়ে গিয়ে পড়ছেন নরেন্দ্র মোদি। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, একেবারে নীরব ভারতীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এমনকী খামেনেই-র মৃত্যু হওয়া সেটা নিয়েও দুঃখপ্রকাশ করেননি। এটা ভারতীয় পররাষ্ট্র নীতির একটা ব্যর্থতা বলা যায়। কেন ট্রাম্প কিছু করলে, সেই ব্য়াপারে মোদি নীরব থাকেন? উনি বলেন, ট্রাম্প মাই ফ্রেন্ড।' তবে এবার নিজের মতামত প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
























