West Asia War: কয়েক হাজার সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকা, ইরানে ‘গ্রাউন্ড অপারেশনে’র প্রস্তুতি, খার্গ কি দখল হয়ে যাবে?
US-Iran War: USS Tripoli-তে চেপে নৌবাহিনীর ২৫০০ সৈনিক অপারেশনাল জোনে পৌঁছে গিয়েছেন বলে জানিয়েছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কম্যান্ড।

নয়াদিল্লি: ইরানের বিরুদ্ধে এবার গ্রাউন্ড অপারেশন চালাতে উদ্যত আমেরিকা। পশ্চিম এশিয়ায় ৩৫০০-র বেশি সেনা মোতায়েন করছে তারা। যুদ্ধজাহাজ USS Tripoli-তে চেপে নৌবাহিনীর ২৫০০ সৈনিক অপারেশনাল জোনে পৌঁছে গিয়েছেন বলে জানিয়েছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কম্যান্ড। (US-Iran War)
USS Tripoli একটি বড় আকারের অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ। গ্রাউন্ড অপারেশনে যেমন সাহায্য জোগায়, তেমনই F-35 এবং Osprey-র মতো অত্য়াধুনিক যুদ্ধবিমান পরিচালনাতেও সক্ষম। দুই সপ্তাহ আগে জাহাজটি জাপান উপকূলে মোতায়েন ছিল। সান দিয়েগো থেকে USS Boxer এবং আমেরিকার নৌবাহিনীর আরও ইউনিট পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। (West Asia War)
এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পেন্টাগনের তরফে গ্রাউন্ড অপারেশনের প্রস্তুতি চলছে, যাতে ইরানের মাটিতে সামরিক অভিযান চালানো যায়। হরমুজ প্রণালী ঘেঁষে অবস্থিত খার্গ আইল্যান্ডে হানা দেওয়া হতে পারে। আমেরিকার স্পেশাল অপারেশন্স এবং ইনফ্যান্ট্রি ট্রুপ ইরানে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর।
তবে পেন্টাগন প্রস্তুতি নিলেও, গ্রাউন্ড অপারেশন নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফে সবুজ সঙ্কেত মিলেছে কি না, তা স্পষ্ট নয় এখনও পর্যন্ত। আমেরিকার সংবাদমাধ্যমের দাবি, খার্গ আইল্যান্ড দখল করে নিতে পারে আমেরিকা। সেখানেই ইরানের বৃহত্তম তৈলভাণ্ডার রয়েছে। পাশাপাশি, হরমুজের কাছাকাছি, উপকূলবর্তী এলাকাতেও হানা দিতে পারে আমেরিকার সেনা। ইরানের অস্ত্রভাণ্ডারও গুঁড়িয়ে দেওয়ার রয়েছে, যা ব্য়বহার করে সাগরে বাণিজ্যিক এবং সামরিক জাহাজ গুঁড়িয়ে দিতে পারে ইরান।
ইরানের জন্য খার্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মূল ভূখণ্ড থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরের ওই দ্বীপে বিরাট পরিকাঠামো রয়েছে তেহরানের। পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রথমে খার্গেই ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এসে পৌঁছয়। সেখান থেকে তেল রফতানি করা হয় অন্যত্র। গভীর সমুদ্র ছুঁয়ে থাকায়, বড় বড় জাহাজ সরাসরি সেখান থেকে তেল ভরাতে পারে।
চলতি মাসের শুরুতেই খার্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আমেরিকা। খার্গকে আমেরিকার ‘মুকুটের মণি’ বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ‘শত্রুদেশ’গুলির জন্য এখনও হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছে ইরান। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতেও কাজ হয়নি। তবে যুদ্ধবিরতি নিয়ে যেখানে আলাপ-আলোচনা চলছে, সেই পরিস্থিতিতে ইরানে এখনই গ্রাউন্ড অপারেশন চালানো হবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই। কারণ শীঘ্রই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হতে পারে বলে ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট জানান, যুদ্ধসমাপ্তিতে রাজি না হলে ইরানকে 'নরকযন্ত্রণা' ভোগ করাতে পিছপা হবেন না ট্রাম্প। ক্যারোলাইন বলেন, "ট্রাম্প ফাঁকা আওয়াজ দেন না। নরক যন্ত্রণা নামিয়ে আনতে প্রস্তুত তিনি। হিসেবে ভুল করা চলবে না ইরানের।"























