Viral News: টুকলিতে বাধা, স্যারের কলার ধরে একের পর এক ঘুষি ডাক্তারি পড়ুয়ার! প্রকাশ্যে ভিডিও
Kalaburagi Viral News: অভিযুক্ত ডাক্তারি পড়ুয়া শেহবাজ প্রথমে পরীক্ষা হলের দরজার দিকে এগিয়ে যান। তারপরে ইউটার্ন নিয়ে সহকারী অধ্যাপক শিবরাজ কুমারের দিকে ছুটে আসেন। স্যারের কলার ধরে চালিয়ে দেন ঘুষি।

কর্নাটকের (Karnataka) কালাবুর্গির (Kalaburagi) এক হোমিওপ্যাথি কলেজে (Homeopathy College) এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠল এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, কলেজের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় টুকলি করতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষকের উপর কার্যত ঝাঁপিয়ে পড়েন অভিযুক্ত ডাক্তারি পড়ুয়া। প্রকাশ্যে ভিডিও। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে চারিদিকে।
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, কালাবুর্গির একটি হোমিওপ্যাথি কলেজে হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকার (Homeopathic Materia Medica) জন্য একটি অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা চলছিল। অভিযুক্ত ছাত্র শেহবাজ তখনই তাঁর মোবাইল ফোন বের করে পরীক্ষায় চিটিং করতে শুরু করেন। সেই সময় পরীক্ষা হলের তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক শিবরাজ কুমার। টুকলির সেই ঘটনা তাঁর চোখ এড়ায়নি। ডাক্তারি পড়ুয়া শেহবাজকে টুকলি করতে দেখেই তিনি ছাত্রের কাছে এগিয়ে যান। এই চিটিং (Cheating) কোনওভাবেই বরদাস্ত করেননি তিনি। অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথমে কী হচ্ছে জানতে চান এবং পরে শেহবাজের উত্তরপত্র বাজেয়াপ্ত করে নেন। এরপর তাঁকে পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন সহকারী অধ্যাপক শিবরাজ কুমার।
এত অবধি সব ঠিক ছিল, গন্ডগোল ঘটে ঠিক এর পরে। ঘটনার ভিডিও (Video) ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অভিযুক্ত ডাক্তারি পড়ুয়া শেহবাজ প্রথমে পরীক্ষা হলের দরজার দিকে এগিয়ে যান। কিন্তু তারপরে ইউটার্ন নিয়ে সহকারী অধ্যাপক শিবরাজ কুমারের দিকে ছুটে আসেন। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্যারের কলার ধরে চালিয়ে দেন ঘুষি। একটার পর একটা। ঘটনায় হকচকিয়ে যান শিবরাজ কুমার-সহ ক্লাসরুমের সবাই। কেউ কেউ ছুটে এসে শেহবাজকে আটকাতে চেষ্টা করেন। ঘটনার পরে ছাত্রছাত্রী নির্বিশেষে সকলে একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে শুরু করে দেন। হকচকিয়ে যান সেখানে উপস্থিত সকলেই।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তুমুল শোরগোল শুরু হয়েছে। ডাক্তারি পড়ুয়ার এই ধরনের আচরণ নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। শিক্ষকের প্রতি কোনও ছাত্রের এই ধরনের আচরণ স্বাভাবিকভাবেই সকলের নিন্দা কুড়িয়েছে। জানা যাচ্ছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত ডাক্তারি পড়ুয়ার মা-বাবাকে ঘটনার কথা জানিয়েছে। শাস্তিস্বরূপ তাকে আগামী কোনও পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে। যদিও ঘটনায় কলেজের তরফে এবং আক্রান্ত শিক্ষকের তরফে পুলিশে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।






















