সম্প্রতি 'ক্লিক' ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ 'এনক্রিপ্টেড'। মুখ্য ভূমিকায় পায়েল সরকার ও ঐশ্বর্য্য সেন।
2/10
সিরিজ মুক্তির পরই 'সাকসেস পার্টি'তে হাজির হন সমস্ত কলাকুশলীরা। পোজ দিলেন ক্যামেরার সামনে।
3/10
কোনও এক অজানা ডার্ক ওয়েবের খপ্পড়ে পরে শহরে বাড়ছে একের পর এক অপরাধ। আর সেই অপরাধের জালেই জড়িয়ে যায় দুই বোনের জীবন। কিছু বুঝে ওঠবার আগেই জীবন থেকে হারিয়ে যায় এক বোন।
4/10
নিজের অজান্তেই সে জড়িয়ে যায় অপরাধের জালে, আর তারপর মৃত্যু। বোনের মৃত্যুর কিনারা করতে আসরে নামে অন্যজন। তারপর?
5/10
সদ্য মুক্তি পাওয়া এই সিরিজের গল্পের কলকাতার প্রেক্ষাপটে মনে করাবে ব্লু হোয়েল বা মোমো-র মত আতঙ্ককে।
6/10
এই গল্প দুই বোনের। দিয়া ও তানিয়া। তবে নিছক সামাজিক গল্প নয়, এই ওয়েব সিরিজ মনে করিয়ে দেয় কয়েক বছর আগে উঠে আসা ব্লু হোয়েল বা মোমো-র মত আতঙ্ককে। অজানা কোনও গেমের আতঙ্কে জড়িয়ে তছনছ হয়ে যায় অনেকগুলো জীবন। এই গল্পই বলবে 'এনক্রিপ্টেট'।
7/10
ছবি সুরের দায়িত্বে রয়েছেন অম্রাল চক্রবর্তী। কাহিনি ও পরিচালনা সৌপ্তিক সি, প্রযোজনা রণিতা দাস। অভিনয়ে পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, রণিতা দাস ও অন্যান্যরা।
8/10
গল্পের প্রেক্ষাপট কিছুটা এমন, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয় এবং খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে।
9/10
ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির 'ডার্ক ডেয়ার' নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। একের পর এক অপরাধে জড়িয়ে পড়ে সে অজান্তেই। আর অন্ধকার জগতের হাতছানির শেষ হয় তানিয়ার মৃত্যুতে।
10/10
বোনের রহস্য মৃত্যুর কারণ খুঁজতে শহরে উপস্থিত হয়, তানিয়ার দিদি দিয়া। বিভিন্ন তথ্য থেকে দিয়া নিশ্চিত হয় যে তাঁর বোন একটি ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার। সে তাঁর বোনের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে। এবার সে নিজেই প্ল্যান করে এই চক্রান্তের পর্দা ফাঁস করতে ময়দানে নামে। দিয়া কি পারবে এই কুখ্যাত অ্যাপ্লিকেশনটির এনক্রিপটেড কোড এর মাস্টারমাইন্ড কে খুঁজে বের করতে?