RR vs LSG: নাগাড়ে দ্বিতীয় ম্যাচে নব্বইয়ের ঘরে আউট মিচেল মার্শ, RR-র বিরুদ্ধে বোর্ডে বিশাল রান তুলল LSG
Mitchell Marsh: নিজের শেষ চার ম্যাচে দুইটি নব্বই-র ঘরের ইনিংসের পাশাপাশি একটি সেঞ্চুরিও হাঁকান মিচেল মার্শ।

জয়পুর: নাগাড়ে দুই ম্যাচ, দুই ম্যাচে শতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছেও সেঞ্চুরি হাঁকাতে পারলেন না মিচেল মার্শ (Mitchell Marsh)। তবে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে তাঁর দুরন্ত ৯৬ রানের ইনিংস এবং মার্শের ওপেনিং পার্টনার জশ ইংলিসের (Josh Inglis) অর্ধশতরানে ভর করেই বিরাট রান তুলল লখনউ সুপার জায়ান্টস (RR vs LSG)। 'ডেথ ওভারে' রয়্যালসের বোলাররা দুরন্ত কামব্যাক না করলেও এক সময় তো মনে হচ্ছিল লখনউ হেসেখেলে ২৫০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলবে। তবে শেষের ওভারগুলিতে জোফ্রা আর্চারদের ভাল বোলিংয়ের সুবাদেই পাঁচ উইকেটে ২২০ রানে থামল লখনউয়ের ইনিংস। রয়্যালসদের হয়ে তরুণ স্পিনার যশ রাজ পুঞ্জা (Yash Raj Punja) সর্বাধিক দুই উইকেট নিয়ে প্রভাবিত করেন।
এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। রিয়ান পরাগের অনুপস্থিতিতে রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়কত্ব করার সুযোগ পান তিনি। অপরদিকে, লখনউ সুপার জায়ান্টস এদিন এডেন মারক্রাম ও মহম্মদ শামিকে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল। লক্ষ্য ছিল বড় রান করা, আর সেই লক্ষ্যে দলের হয়ে শুরুটা দুরন্তভাবে করেন লখনউয়ের দুই ওপেনার মার্শ ও ইংলিস। পাওয়ার প্লেতেই বিনা উইকেটে ৮৩ রান যোগ করে ফেলেন লখনউয়ের ওপেনাররা।
মরশুমের একেবারে শেষভাগে দলের সঙ্গে যোগ দিলেও, শুরু থেকে মাঠে নেমেই দুরন্ত ছন্দে দেখা গিয়েছিল ইংলিসকে। এই ম্য়াচেও তিনি নিজের অনবদ্য ফর্ম অব্যাহত রাখেন। মাত্র ২১ বলে এবারের আইপিএলে চার ইনিংসে নিজের দ্বিতীয় অর্ধশতরানটি পূরণ করে ফেলেন ইংলিস। ওপেনিংয়ে দুই অজ়ি লখনউয়ের হয়ে শতাধিক রানের পার্টনারশিপও গড়েন। তবে পুঞ্জার বলে ৬০ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় ইংলিসকে। এরপরেও অবশ্য মার্শের ব্যাট থামেনি। তিনি দুরন্ত গতিতে রান করতে থাকেন। দেখতে দেখতেই মার্শ ২৫ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন। ১৩তম ওভারের প্রথম বলেই ১৫০ রানের গণ্ডিও পার করে লখনউ।
এমন সময়ে মনে হচ্ছিল মার্শরা নিঃসন্দেহেই ২৫০-র আশেপাশে রান করবেন। তবে শেষের চার ওভারে লখনউ ৩৮ রানের বেশি যোগ করতে পারেনি। শেষ ওভারে তো জোফ্রা আর্চার মাত্র পাঁচ রান খরচ করেন। অফফর্মের পন্থ এদিন রান পেলেও, রানের গতি বজায় রাখতে পারেননি। সেই গতি খুঁজতে গিয়েই শেষ ওভারে রান আউট হয়ে ৯৬ রানে ফিরতে হয় মার্শকে। পন্থ নিজেও ৩৫ রানে রান আউট হন। তবে তা সত্ত্বেও বেশ রান বোর্ডে তুলল লখনউ। এই নিয়ে এ মরশুমে অষ্টমবার দু'শোর অধিক রান খরচ করল রাজস্থানের বোলিং আক্রমণ। এ মরশুমেই পঞ্জাব কিংস নয় বার দু'শোর বেশি রান দিয়েছে। তবে তা ব্যতীত আইপিএলের ইতিহাসে এক মরশুমে এতবার দু'শো রান আর কোনও বোলিং আক্রমণ খরচ করেনি। তাই স্বাভাবিকভাবেই রয়্যালসের বোলিং নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন উঠছে।




















