Vaibhav Sooryavanshi: 'মেন্টরশিপ ও সঙ্গ ভাল হলে বয়স শুধুই সংখ্য়া', বৈভবকে লম্বা রেসের ঘোড়া বলছেন অলিম্পিক্স পদকজয়ী
Manu Bhaker On Vaibhav Sooryavanshi: দিল্লিতে ন্যাশনাল রাইফেল অ্য়াসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের ফাঁকে কথা বলতে গিয়ে অলিম্পিক্সে পদক জয়ী মনু।

নয়াদিল্লি: একজনের বয়স ২৪ ও একজনের বয়স ১৫। একজন দেশের হয়ে অলিম্পিক্সে পদক জিতেছেন। অন্য়জন এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্য়তম সেনশেসন। মানু ভাকের (Manu Bhaker) ও বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। এবার বৈভবের প্রশংসা শোনা গেল মনুর মুখে। দিল্লিতে ন্যাশনাল রাইফেল অ্য়াসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের ফাঁকে কথা বলতে গিয়ে অলিম্পিক্সে পদক জয়ী প্রথম ভারতীয় মহিলা শ্যুটার জানিয়েছেন, ''আমি বলব, যদি মেন্টরশিপ ভালো হয়, তার চারপাশের সঙ্গ ভালো হয়, আশেপাশের মানুষ ভাল হয়, তাহলে বয়স শুধু একটি সংখ্যা। প্রতিভার কোনও বয়স নেই। ৬০ বছরেও বড় কিছু ঘটে, আবার ছয় বছরেও ঘটে। তাই যদি তার আশেপাশের মানুষ তাকে ভালোভাবে মেন্টর করে এবং সঠিকভাবে পথ দেখায়, তাহলে আমি নিশ্চিত সে পরবর্তী বড় তারকা হবে।''
উল্লেখ্য, ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিক্সে দুটো ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মনু। প্রথমে তিনি ১০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জেতেন ও ১০ মিটার এয়ার পিস্তল মিক্সড টিম ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জেতেন মানু ভাকের।
যদিও মানুকে ক্রিকেট ও সূর্যবংশীকে নিয়ে প্রশ্ন করা সম্পর্কে কেকেআরের টিম ডিরেক্টর জয় ভট্টাচার্য লিখেছেন, ''বন্ধুরা, মানু একজন অলিম্পিক্স পদকজয়ী। তার কাছে বৈভব সূর্যবংশী সম্পর্কে কী মনে করেন তা জিজ্ঞাসা করা তার সাফল্য ও তার খেলাধূলার প্রতি অন্যায়। যাই হোক, ক্রিকেট দেশের প্রধান আবেগ। আপনার স্পোর্টস এডিটরদের সূর্যবংশীকে নিয়ে শিরোনাম বানানোর জন্য আরেকটি সেলিব্রিটি মন্তব্যের দরকার নেই। চাইলে, পরের বার বৈভব সূর্যবংশীকে মনু ভাকের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন এবং দেখুন কী প্রতিক্রিয়া পান।''
সেলফি তুলতে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে বৈভব?
সম্প্রতি একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে বিমানবন্দরে বৈভবের সঙ্গে কয়েকজন কচিকাঁচা এসে সেলফি তুলতে চায়। কিন্তু ১৫ বছরের রাজস্থান রয়্যালস ওপেনার সে সময় আচমকাই বলে ওঠে, 'আমি তো সেলফি তুলতে টাকা নিই, সত্যি বলছি আমি টাকা নিই। প্রত্যেক সেলফির জন্য ১০০ টাকা করে নিই আমি।' আর এমনটা শুনেই কিছুটা হতচকিত হয়ে যায় বাচ্চারা। তারা ফিরে যেতে থাকে। কিন্তু সেই সময় বৈভব নিজেই বলে যে পুরোটাই সে মজার ছলেই বলছে। তাতে স্বস্তি পায় বাচ্চারা। আর বৈভবও তাদের সঙ্গে সেলফি তোলে।
সেরা শিরোনাম



















