পুরোহিত পান্ডে লিখেছেন, সরফরাজ অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে দেশকে ম্যাচ জিতিয়েছেন। ভাষা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে তাঁরা। তাঁর সব সময় উর্দুতেই কথা বলা উচিত।
2/9
এ জে সেরপা লিখেছেন, যে দেশকে বহু কারণে ঘৃণা করা হয় সেই দেশের খেলোয়াড়কে ভারতীয়রা এ ভাবে সমর্থন করছেন দেখে ভালো লাগছে। যাঁরা সঠিক বিষয়টিকে সমর্থন করছেন তাঁদের শ্রদ্ধা জানাতে হয়। অহং নয়, মানবতারই জয় হয়।
3/9
তাপস পাল নামে একজন লিথেছেন, ইংরেজিকেই মানুষের যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে গন্য করতে হবে কেন। সরফরাজের কাজ তাঁর দেশের হয়ে খেলা ও জেতা। খারার ইংরেজির জন্য তো গ্রহান্তরের প্রাণী হয়ে যান না।
4/9
গৌরব নীতা চবন লিখেছেন, একজন ক্রিকেটারের খেলার থেকে বড় কিছু নয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংরেজি জানা দেশগুলির তুলনায় অনেক ভালো খেলেছেন সরফরাজ। ইংরেজিভাষী খেলোয়াডদের হিন্দিতে সাক্ষাত্কার নিলে তাঁরা তো কিছু বুঝতেই পারবেন না।
5/9
জয় বার্নিং লায়ন নামে একজনের বক্তব্য, সরফরাজ ইংরেজি বলতে পারেন না তো কী হয়েছে। লিওনেল মেসি, সিআর ৭ ও পুতিনও কি বলতে পারেন?
6/9
কুলদীপ চৌধুরী নামে একজন ফেসবুকে নীরজ শর্মার মতোই মত ব্যক্ত করেছেন। তিনি লিখেছেন, ইংরেজি কোনওভাবেই কোনও ধরনের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় নয়। সরফরাজ ক্রিকেট খেলতে গিয়েছেন, ইংরেজি বলতে নয়।
7/9
শ্রীতম মিশ্র লিখেছেন, আমি ভারতীয়। কিন্তু এ ধরনের আচরণ আমি সমর্থন করি না। সরফরাজ ইংরেজি বলতে না পারলে হয়েছেটা কী! তিনি নিজের দলকে ফাইনালে নিয়ে গিয়েছেন। আমাদের সেটাই দেখতে হবে। তিনি ক্রিকেটার, কোনও টিভি অ্যাঙ্কর নন।
8/9
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের ফাইনালে ওঠার পর অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ইংরেজি কথা বলার ভুলত্রুটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিংয়ের শিকার হন। পোস্ট ম্যাচ ডিসকাশনে সরফরাজ ইংরেজিতে কথা বলতে গিয়ে হোঁচট খান। এই ঘটনা নিয়ে অনলাইনে তাঁকে বিদ্রুপ করা হয়। এরইমধ্যে সরফরাজের পাশে দাঁড়ান ভারতীয় ক্রিকেট অনুরাগীদের একাংশ। ফেসবুক ও ট্যুইটারে এক-আধটা নয়, ঝাঁকে ঝাঁকে মন্তব্য করা হয়েছে সরফরাজকে ট্রোল করার বিরুদ্ধে। দেখে নেওয়া যাক, ভারতীয়রা সরফরাজের পাশে দাঁড়িয়ে কী ধরনের মন্তব্য করেছেন। নীরজ শর্মা নামে লিখেছেন, তিনি সরফরাজকে নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করতে নারাজ। পাক অধিনায়ক খুব ভালো হিন্দি বলতে পারেন।নীরজ আরও লিখেছেন, ইংরেজিতে কথা বলতে পারাটা একজন ক্রীড়াবিদের প্রতিভার মাপকাঠি নয়। সরফরাজ তাঁর দেশের হয়ে দারুন খেলেন।
9/9
আগামী রবিবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মহারণ। ফাইনালে মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ-ভারত ও পাকিস্তান। ২০০৭-র টি-২০ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম দুটি দল কোনও টু্র্নামেন্টের ফাইনালে লড়াই করবে। ফাইনাল তো দূরের কথা, দুটি দলের মধ্যে কোনও ম্যাচ হলেই উত্তেদনার পারদ তুঙ্গে ওঠে। স্বাভাবিকভাবেই আগামী রবিবারের হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে দুই দেশের ক্রিকেট অনুরাগীদের আগ্রহ তুঙ্গে উঠেছে। কিন্তু এরইমধ্যে এমন ঘটনা ঘটল যা মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতোই।