RG Kar News: মেলেনি বিচার, তিলোত্তমার মা-বাবার ক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্য়মন্ত্রী
ABP Ananda LIVE: বছর ঘুরতে চলল। কিন্তু, আর জি করকাণ্ডে নিহত অভয়ার মা-বাবার দাবি, তাঁরা এখনও বিচার পাননি। আজ সেই না পাওয়াই ঠিকরে বেরোল ক্ষোভ হয়ে। যার নিশানায় প্রধানমন্ত্রী, মুখ্য়মন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি--- সকলেই। নিহত চিকিৎসকের বাবা বললেন, "আজকে প্রধানমন্ত্রীও আমাদের বিষয়টা ভাবছেন না। তাহলে প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে দেখা করতেন।" আর মুখ্য়মন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে অভয়ার মা বললেন, "স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসাবে, পুলিশমন্ত্রী হিসাবে আমি ওনার পদত্যাগ সর্বক্ষণ দাবি করে যাব।" এমনকী, রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়েও মুখ খুলেছেন এই সন্তানহারা দম্পতি। তাঁরা বলছেন, রাষ্ট্রপতি সময় দিতে পারলেন না। অথচ এখানে এলেন। দেখা করলেন না। কোথাও চিঠি লিখে লাভ হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে আন্দোলনেই ভরসা রাখছেন সন্তানহারা দম্পতি। তাঁরা বললেন, সামনে পুজো। আমাদের সব শেষ। আমরা শুধু বিচার চাই। বাকি জীবন লড়াই করে যাবো। এতদিন মেয়েকে প্রতিষ্ঠা করার লড়াই ছিল।। এবার সেই মেয়ের খুনের বিচারের লড়াই চাই।
SIR-প্রতিবাদে বিরোধীরা, কমিশনকে নিশানা রাহুলের
ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের প্রতিবাদে এককাট্টা আন্দোলনে বিরোধীরা। আজ রাহুল গান্ধী হুঙ্কার ছেড়েছেন, "যেটা আমরা পেয়েছি সেটা একটা অ্যাটম বোমা। যখন ফাটবে নির্বাচন কমিশনকে দেখা যাবে না ভারতে। এখন আমাদের কাছে ওপেন অ্যান্ড শাট প্রমাণ রয়েছে যে, নির্বাচন কমিশন ভোট চুরিতে যুক্ত রয়েছে।" পাল্টা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলছেন--- "উনি যখন জেতেন তখন সব ভাল। আর হেরে গেলে নির্বাচন কমিশনের মাথায় দোষ চাপিয়ে দেয়।" বিহারে ২২ বছর পর, ভোটের ঠিক মুখে, নির্বাচন কমিশনের এই বিশেষ কর্মসূচিই জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে! নির্বাচন কমিশন দাবি করছে, রুটিন পদক্ষেপ। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপি বলছে, ভেজাল মুক্ত ভোটার তালিকার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ। আর বিরোধীদের দাবি, বিজেপিকে জেতাতে এটা নির্বাচন কমিশনের মরিয়া চেষ্টা। বর্তমানে দেশের মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। যিনি অমিত শাহের আস্থাভাজন বলেই দাবি বিরোধীদের। এই প্রেক্ষাপটে রাহুল গান্ধীকেও বলতে শোনা গেছে--- "নির্বাচন কমিশনে যারা এই কাজ করছে একেবারে ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত, একটা মনে রাখবেন আপনাকে আমরা ছাড়ব না। যাই হয়ে যাক, আমরা আপনাকে ছাড়ব না। কারণ আপনারা ভারতের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।" পাল্টা কিরেণ রিজিজুও বলেছেন, "রাহুল গান্ধী বারবার সাংবিধানিক সংস্থাগুলিকে হুমকি দিয়েছেন। এটা ছেলেমানুষি নয়, এটা ভয়ঙ্কর।"


















