SSC News: 'দাগি'দের প্রতি রাজ্য় সরকারের কীসের দরদ? বিভিন্ন মহলে বড় হয়ে উঠেছে এই প্রশ্ন
ABP Ananda Live: 'দাগি'দের প্রতি রাজ্য় সরকারের কীসের দরদ? এই প্রশ্নটাই এখন বিভিন্ন মহলে সবথেকে বড় হয়ে উঠেছে। এনিয়ে চাকরি শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডল খোলাখুলিই বলছেন--- "কেন সহানুভূতিশীল হবে না? এত টাকার ডিলিংস হয়েছে। এতবড় নির্লজ্জ প্রশাসন, এতবড় নির্লজ্জ সরকার এবং এতবড় নির্লজ্জ একটা কমিশন এটা বলার আর কোনও অপেক্ষা রাখে না।" আর বিরোধীরা বলছে, এখনও 'দাগি'দের প্রতি রাজ্য় সরকারের দরদই বলে দিচ্ছে, একা পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় নয়, এই দুর্নীতির বখরা আরও অনেক রাঘব বোয়ালেরই পকেটে গেছে। সেই কারণেই, 'দাগি'দের জন্য় এখনও রাজ্য় সরকারের এত দরদ! অনেকে বলছেন, SSC-র নিয়োগ-দুর্নীতি আদতে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি। এই দুর্নীতিতে কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন শিক্ষা দফতরের একদা মাথারা। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়, মধ্য়শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি কল্য়াণময় গঙ্গোপাধ্য়ায়, সকুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্য়ান সুবীরেশ ভট্টাচার্য, কমিশনের প্রাক্তন সচিব অশোক সাহা এবং প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিন্হা। এক কথায় বললে, যাঁরা শিক্ষা দফতর চালাতেন! বিরোধীদের প্রশ্ন, একটা দফতরের মাথারা এত বড় একটা দুর্নীতি জড়িত থাকবেন, আর সরকারের কেউ তা জানতে পারবে না, এটা কি হতে পারে?
'জঙ্গিরা ধর্ম দেখে দেখে গুলি করার সময় পেল কী করে ? কেন ইনটেলিজেন্স বারবার ফেল করছে? '
পহেলগাঁওকাণ্ডে গোয়েন্দা ব্য়র্থতার অভিযোগ তুলতে গিয়ে, বিরোধীদের ওপর কেন্দ্রীয় এজেন্সির সক্রিয়তার প্রসঙ্গ টেনে আনল তৃণমূল। আজ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে না পাঠিয়ে দেশের সুরক্ষার কাজে লাগান। ISF বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকিও প্রশ্ন তোলেন, এত জঙ্গি ঢুকছে, আমরা আটকাতে পারছি না কেন? পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাফল্যকে সম্মান জানিয়ে বিধানসভায় প্রস্তাব পাঠের আলোচনাতেও উঠে এল কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে বিরোধীদের হেনস্থার অভিযোগের প্রসঙ্গ!কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে না পাঠিয়ে দেশের সুরক্ষার কাজে লাগান।মোদি সরকারকে খোঁচা দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী। বর্ডার পেরিয়ে পহেলগাঁওয়ে কীভাবে ঢুকে পড়ল জঙ্গিরা? সেনিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন আগে থেকে হামলার খবর ছিল না গোয়েন্দাদের কাছে? প্রশ্ন তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি সরকার ব্যর্থ হয়েছে। দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। রাজনীতি করতে গিয়ে দেশকে বিক্রি করবেন না। বিজেপি সরকারের পদত্যাগ চেয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী।


















