Calcutta Medical College: মানস ভুঁইয়ার এই মন্তব্যের প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা মেডিক্য়াল কলেজ
ABP Ananda LIVE: ছোট্ট একটা ঘটনা ঘটলেই গেল গেল গেল রে, কী সর্বনাশ!' কসবা গণধর্ষণকাণ্ডের আবহে সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার এই মন্তব্যের প্রতিবাদে আজ উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা মেডিক্য়াল কলেজ। অধ্যক্ষকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান ডাক্তারি পড়ুয়া ও জুনিয়র চিকিৎসকের একাংশ। ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে মানস ভুঁইয়ার ওই মন্তব্য় অনভিপ্রেত। এদিন কলেজ কাউন্সিলের জরুরি বৈঠকের রেজলিউশনে বিতর্কিত মন্তব্যকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে অবমাননাকর বলে উল্লেখ করে, লেখা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অননুমোদিত ব্যক্তিত্ব, যাদের শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সংস্থার রক্তদান শিবিরে উপস্থিত থাকার কথা ছিল, তাদের প্রবেশের ঘটনা নজিরবিহীন। এই ব্যর্থতার দায় সম্পূর্ণভাবে কলেজ কর্তৃপক্ষের। কড়া ভাষায় মন্তব্যের নিন্দাও করা হয়েছে। এদিনই কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্রর আইনজীবী হিসেবে এনরোলমেন্ট বাতিল করে দেয় রাজ্য বার কাউন্সিল।
আরও খবর...
সাউথ ক্য়ালকাটা ল' কলেজে গণধর্ষণের অভিযোগে এবার একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য় সামনে আনলেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিকিউরিটি এজেন্সির কর্ণধার। তাঁর দাবি, ভয়েই কাউকে কিছু জানাতে পারেননি ঘটনার রাতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রক্ষী ধৃত পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়। সিকিউরিটি এজেন্সির অপারেশনাল ম্যানেজারের দাবি, ফোনে পিনাকী বন্দ্যোপাধ্য়ায় তাঁকে জানিয়েছিলেন, তাঁর ফোন নিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আটকে রাখা হয় ইউনিয়ন রুমে। মনোজিৎ মিশ্রর মারধরের হাত থেকে রেহাই পাননি আরেক নিরাপত্তা রক্ষী সঞ্জীব শীলও। কলেজে নাকি চলত ম্যাঙ্গো দাদার 'হুকুম'। সংস্থার অপারেশনাল ম্য়ানেজার এদিন বলেন, গার্ডকে বলত মাথা টিপে দে, বডি ম্যাসাজ করে দে, গার্ডকে করতে হত, যেহেতু এটা মনোজিৎ দাদা বলছে। তাঁর আরও দাবি, অভিযোগ জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি কলেজ কর্তৃপক্ষ


















