Medinipur News:কর্ণাটকে ব্ল্যাকলিস্টেড, তবু বাংলায় রমরমিয়ে চলছে বিষাক্ত স্যালাইন!ফলে প্রসূতি মৃত্যু?
ABP Ananda Live: কর্ণাটকে ব্ল্যাক লিস্টেড, বাংলায় উৎপাদন, ব্যবহারে নিষেধ। তবু দেওয়া হয়েছিল, নিষিদ্ধ স্যালাইন। তার জেরেই কি মেদিনীপুর মেডিক্যালে প্রসূতির মৃত্যু? অসুস্থ ৪ প্রসূতির মধ্যে ২ জন ভেন্টিলেশনে।
এবিপি আনন্দে খবর সম্প্রচারের জের। সমস্ত হাসপাতালকে নির্দেশ পাঠাল স্বাস্থ্য ভবন। অভিযুক্ত ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার তৈরি ওষুধ ব্যবহার না করতে নির্দেশ। সমস্ত সরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ। যতক্ষণ না তদন্ত শেষ হচ্ছে এবং ল্যাব টেস্টের রিপোর্ট আসছে ততক্ষণ ব্যবহার করা যাবে না ওই সংস্থার ওষুধ। স্বাস্থ্য ভবন থেকে নির্দেশ গেল সমস্ত সরকারি হাসপাতালের কাছে। নির্দেশ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা অনিরুদ্ধ নিয়োগীর। পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের সমস্ত ওষুধ দ্রুত ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ। এসএসকেএম ও আর জি কর মেডিক্যালের সমস্ত বিভাগীয় প্রধানকে নির্দেশ। স্যালাইন, অ্যান্টিবায়োটিক, প্যারাসিটামল সহ একাধিক ওষুধ। আর জি কর মেডিক্যালে ১০ ধরণের ওষুধ সাপ্লাই দেয় পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যাল। আর জি কর মেডিক্যালে অভিযুক্ত সংস্থার সবকটি ওষুধ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্য। কালো তালিকাভুক্ত সংস্থার তৈরি স্যালাইনে প্রসূতিমৃত্যুর পরেও নির্বিকার স্বাস্থ্য দফতর! রাজ্যের বহু সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এখনও চলছে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের স্যালাইন। পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি স্যালাইন বহাল তবিয়তে চলছে সরকারি হাসপাতালে। এনআরএস, আরজি কর, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজেও চলছে এই স্যালাইন। সমস্ত হাসপাতালকে গত ৭ তারিখ সরকার নোটিস পাঠানোর পরেও, স্যালাইনের স্টক ক্লিয়ারেন্স! প্রসূতি বিভাগে দেদার ব্যবহৃত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন। ওটি-তে প্রসূতিদের অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি স্যালাইন। এবিপি আনন্দে খবর সম্প্রচারের পর পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের ১০টি ওষুধের ব্যবহার বন্ধ করল আরজি কর হাসপাতাল।



















