Biman Basu Exclusive: কেন শূন্যতে আটকে গেল বামেরা? বিধানসভা ভোটে কী হতে চলেছে ফল? এবিপি আনন্দে এক্সক্লুসিভ বিমান বসু
বামেদের প্রাঙ্গণে বটবৃক্ষরা আছে, জলও আছে, কিন্তু ফল কোথায়?

কলকাতা: কারও কারও হাতে গাছ খুব ভাল হয়। সেইরকমই বিমান বসু। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের অফিসে আরও অনেক গাছ ছিল। তবে এখন ছাদ সংস্কারের জন্য গাছ কম। গাছে জল দেওয়ার কাজটাও করে যেতেন বিমান বসু। গাছ হতও তেমন। কারণ কথাতেই আছে, কারও কারও হাতে গাছ খুব ভাল হয়। এ প্রসঙ্গেই যদি রাজনীতির আঙিনায় আসা যায় তাহলে বামেদের প্রাঙ্গণে বটবৃক্ষরা আছে, জলও আছে, কিন্তু ফল কোথায়?
সুমন দে (এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, এবিপি আনন্দ) : বাম রাজনীতির অন্দরে ডেডিকেটেড কর্মী- সমর্থকদের অভাব নেই। কেন বামপন্থীদের গাছ বড় হচ্ছে না? কেন বিধানসভা, লোকসভায় শূন্যতে আটকে গেল বামেরা?
বিমান বসু: এখনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা ঠিক নয়। শূন্য কিন্তু সবসময় শূন্য থাকে না।
সুমন দে: সামনের বিধানসভায় কি কয়েকটা আসন বাড়তে পারে? তুলনামূলকভাবে ফল ভাল হবে?
বিমান বসু: শূন্য থাকবে না এটা বলতে পারি। শূন্য থাকবে না।
এ প্রসঙ্গে উঠে এসেছে আজকের রাজনীতির নানা দিক। বিজেপি-তৃণমূলের সেটিং তত্ত্বের কথাও জানিয়েছেন বর্ষীয়ান বাম নেতা। তাঁর কথায়, ইডি-সিবিআই বছরের পর বছর ধরে মামলা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন এলে এই এজেন্সিগুলি তৎপর হয়ে ওঠায় আরও স্পষ্ট হয় সেটিং রাজনীতি।
এর পাশাপাশি বিমান বসুর কথায় উঠে এসেছে সৌজন্যহীন-রাজনীতির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, 'এখন মাঝে মধ্যেই সৌজন্য হারাচ্ছে। কু-কথা এসে যাচ্ছে এখন। যা আগামী প্রজন্মের জন্য খারাপ। যাচ্ছেতাই কথাবার্তা হয় এখন।
সুমন দে: অতীতেও হত। অনিল বসু বলেছিলেন মারাত্মক কথা।
বিমান বসু: সেই কথার জন্য আমরা তাঁকে বহিষ্কার করেছিলাম।
সুমন দে: হয়েছিল, তবে অনেক পরে।
এই আলাপচারিতায় উঠে এসেছে বাম-তৃণমূল 'সৌজন্যর রাজনীতির' কথাও। যেখানে ৩৪ বছরের বাম সরকারের অবসান ঘটানো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমান বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, অসীম দাশগুপ্ত। ২০২২ সালে রাজভবনের অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়ার সাজিয়ে দিয়েছিলেন যাতে বিমান বসু বসতে পারেন।
সুমন দে: বিজেপি যদিও আপনাদের সঙ্গে তৃণমূলের সেটিংয়ের কথা বলে কারণ নবান্নে এক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিশ ফ্রাই এনেছিলেন, আপনিও ছিলেন সেই বৈঠকে, খেয়েছিলেন?
বিমান বসু: ভদ্রতা করার জন্য কোনও চা প্রেমী বাইরে চা খেয়ে এলেও ফের চা খায়। ওটা ভদ্রতার বিষয় ছিল। ফিশ ফ্রাইয়ের সঙ্গে বোঝাপড়ার কোনও সম্পর্ক ছিল না। দাবি জানাতে গিয়েছিলাম, দাবি জানিয়েছি।
সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি দেখুন-
























