BJP Rajya Sabha Candidate: বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রার্থী হলেন ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ
Sushmita Dev, Sukhendu Sekhar Roy: আজই বিজেপিতে যোগ দেন রাজ্যসভার ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। বিজেপিতে যোগ দেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক। বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রার্থী হলেন তাঁরা।

কলকাতা: বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রার্থী হলেন প্রাক্তন ৩ তৃণমূল সাংসদ। রাজ্যসভা উপনির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। রাজ্যসভার উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হলেন, সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক।
The Central Election Committee of the Bharatiya Janata Party has granted its approval to the following names for the Rajya Sabha by-election to be held in West Bengal in 2026. pic.twitter.com/dTm6enYFjt
— BJP (@BJP4India) July 9, 2026
আজই বিজেপিতে যোগ দেন রাজ্যসভার ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। বিজেপিতে যোগ দেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক। ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার ৩ আসনে উপনির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম যোগদানের দরজা খুলল বিজেপি। "যাঁরা মানুষের টাকা লুঠ করেছেন তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ", জানালেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি আরও বলেন, যাঁরা যোগ দিয়েছেন তাঁরা ব্যতিক্রম।
উল্লেখ্য, এদিন বিকালে বিজেপির সল্টলেকের পার্টি অফিসে আসেন সুস্মিতা দেব ও সুখেন্দুশেখর রায়। তারপর সেখানে আসেন প্রকাশ চিক বরাইক। আর তারপরই প্রশ্ন উঠছে বিশেষজ্ঞ মহলে যে তবে কি এবার বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী হচ্ছেন তাঁরা? গত সোমবার অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন সুখেন্দুশেখর রায়। আগেই রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায় ও প্রকাশ চিক বরাইক। প্রসঙ্গত, ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার ৩ আসনে উপনির্বাচন। সুখেন্দুশেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক ও সুস্মিতা দেবের পদত্যাগের ফলেই হবে এই নির্বাচন।
এদিন নবান্নে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তারপর নবান্ন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন তিনি। তিনি বললেন, "আমার মনে হয় পশ্চিমবাংলার মানুষরা এইটুকু বিশ্বাস করুক যে, আমার সঙ্গে কারও কোন রাজনৈতিক কথা বা আলোচনা সেদিনও হয়নি আজও হয়নি। যেটা হয়েছে আমাদের কথা, আমাদের ইন্ডাস্ট্রির কথা, পশ্চিমবাংলা বিশেষ করে মহানায়ক উত্তম জেঠুর ১০০ বছর নিয়ে যে পরিকল্পনা, সেটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কারণ উত্তম জেঠু শুধু আমার নয়, সব বাঙালির ইমোশন। আমি মনে করি শুধু পশ্চিমবাংলারও নয়, সারা ভারতবর্ষেরও বলব না, আমরা এই একই ভাবে উত্তম জেঠুর ২০০ বছরও পালন করব। এই সব নিয়েই আলোচনা হয়েছে।"























