CM Mamata Banerjee: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মমতা, SIR নিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে তৃণমূল নেত্রী
Mamata On SC : নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মমতা, CEO দফতরের বিরুদ্ধেও SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলনেত্রী

আশাবুল হোসেন, কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাক্ষাতের আগেই কমিশনের সঙ্গে আরও সংঘাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।CEO দফতরের বিরুদ্ধেও SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলনেত্রী। কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের আগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের। কাল বিকেল ৪ নাগাদ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। মাইক্রো অবজার্ভার নিয়ে প্রতিবাদ, পত্রাঘাতের পরে এবার মামলা।
আরও পড়ুন, ভিন রাজ্যের পর্যবেক্ষক হিসেবে ৮ IPS-এর অব্যাহতি চায় রাজ্য, নতুন করে ৮ IPS-এর নাম কমিশনে পাঠাল সরকার
আগামীকাল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে, প্রতিনিধি দল নিয়ে দেখা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই কিন্তু এই SIR এর বিরুদ্ধে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে দেশের শীর্ষ আদালতে, তিনি একটি মামলা দায়ের করেছেন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেই, চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হতে পারে। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের তরফে দোলা সেন, মহুয়া মৈত্র, ডেরেক ও'ব্রায়েন, তাঁরা একটি মামলা করেছেন, এসআইআর এর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে শুনানি চলছে। এবং সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে নানা নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, একটি চিঠি লিখেছেন। যেটা যা, তাঁর ষষ্ঠ চিঠি। সেই চিঠিতে তিনি একাধিক অভিযোগ করেছেন। এবং সেই চিঠিতে তিনি, দুটি বিষয়ে খুবই তিনি আলোকপাত করেছেন, মূল বিষয় হচ্ছে যে, এমন কিছু ক্ষমতা মাইক্রো অবজারভারদের দেওয়া হচ্ছে, প্রায় ৮ হাজার ১০০ মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে, ১৯৫০ সালের যে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, সেই আইনকে লঙ্ঘন করছে। ১৯৫০ সালের যে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, সেখানে ভোটার তালিকার ব্যাপারে মাইক্রো অবজারভারদের, সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। যেহেতু প্রায় ৮ হাজার ১০০ মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের জন্য, সেখানে অন্যান্য রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে, কিন্তু কোনও মাইক্রো অবজারভার নেই।
মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় যখন দিল্লিতে তখনও এরাজ্য়ে SIR-এর শুনানিতে হেনস্থা, হয়রানির অভিযোগ উঠেই চলেছে। এমনকী, পক্ষাঘাতগ্রস্ত এই মহিলাকে অবধি শুনানিতে ডেকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। কসবার বাসিন্দা সায়নী সরকার বলেন, 'আমার কাগজপত্র আছে, কিন্তু নিচ্ছে না...হয়রানি করছে। 'বছর সাঁইত্রিশের সায়নী সরকার। কসবার বাসিন্দা।পেশায় শিক্ষিকা। বছর পাঁচেক আগে স্ট্রোক হওয়ায় চাকরি ছাড়তে হয়েছে ! অভিযোগ এই অবস্থায় বারবার হয়রানি করা হচ্ছে তাঁকে। ২৬ জানুয়ারি একবার শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। রবিবার ফের ডাকা হয় কসবার গয়ারাম শিশু শিক্ষানিকেতনে। কলকাতার যখন এই ছবি তখন হেনস্থা-হয়রানি-অশান্তির অভিযোগ উঠেছে জেলা থেকেও।






















