DA Breaking :'এখনই ২৫ শতাংশ DA দিয়ে দিতে হবে' নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
২০২৫ সালের ১৬ মে, সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়, শুনানির দিন থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA-র অন্তত ২৫% মিটিয়ে দিতে হবে।

DA নিয়ে আদালতের লড়াই চলে আসছে প্রায় এক দশক ধরে। শেষমেশ বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ আদালত রায় দিল, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রাজ্যের সরকারি কর্মীদের যে DA বকেয়া রয়েছে, তার ২৫ শতাংশ মার্চের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রর বেঞ্চ রায় ঘোষণা শুরু করল। প্রথমেই জানাল, রাজ্যকে এখনই ২৫ শতাংশ DA দিয়ে দিতে হবে। নির্দেশ বিচারপতি সঞ্জয় করোল, বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রর বেঞ্চের।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নির্দেশ, এখনই বকেয়া DA-র ২৫% দিয়ে দিতে হবে। ৩১ মার্চের মধ্যে DA দিয়ে দিতে হবে। এ নিয়ে ১৫ মে-র মধ্যে Compliance report দিতে নির্দেশ দিয়েছে বেঞ্চ। বাকি ৭৫% DA নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি সঞ্জয় করোল, বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রর বেঞ্চের বেঞ্চ। কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের DA ফারাক বর্তমানে ৪০%।
গত কয়েক বছর ধরে, রাজ্য বাজেটের সময় DA ঘোষণা করা হয়েছে। এবার সেই রাজ্য বাজেটের দিনেই DA-মামলার রায় দেবে সুপ্রিম কোর্ট। বকেয়া DA নিয়ে এই আইনি লড়াই চলছে প্রায় এক দশক ধরে। এক আদালত থেকে আরেক আদালতে ঘুরেছে মামলা। আর দীর্ঘায়িত হয়েছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের অপেক্ষা। ২০২৫ সালের ১৬ মে, সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়, শুনানির দিন থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA-র অন্তত ২৫% মিটিয়ে দিতে হবে। সেদিন সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশনামায় বলা হয়, 'DA পাওয়ার অধিকার মৌলিক অধিকার কিনা তা বিবেচনা করার জন্য এই আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। আমরা তা করব। কিন্তু এই ধরনের বিবেচনার জন্য, সরকারি কর্মচারীদের অনন্তকাল অপেক্ষা করানো যাবে না। ওই দিন বিচারপতি কারোল বলেছিলেন, কর্মীদের মধ্যে ভাল ভাবমূর্তি তৈরি করতে রাজ্য সরকারের নিজে থেকেই বকেয়া DA-এর ৫০% মিটিয়ে দেওয়া উচিত। যার প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেছিলেন, ৫০ শতাংশ বকেয়া DA মিটিয়ে দিতে গেলে বিপুল পরিমাণ টাকার প্রয়োজন হবে। রাজ্য সরকারকে ২০ হাজার কোটি টাকা মেটাতে হবে। এই বিপুল টাকা দিতে গেলে রাজ্য সরকারের কোমর ভেঙে যাবে।
তবে তারপরও রাজ্য় সরকারি কর্মীদের অপেক্ষা শেষ হয়নি। কারণ রাজ্য সরকার কোনও টাকাই দেয়নি। অবশেষে আদালতের নির্দেশে কাটবে কি অপেক্ষার প্রহর? রাজ্য কি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই টাকা দিতে পারবে?
























