TMC News: কলকাতা পুরসভার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, নতুন সরকার শপথ নিতেই সিদ্ধান্ত, হঠাৎ কী হল?
Firhad Hakim: আচমকাই কলকাতা পুরসভার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম। নতুন সরকার শপথ নিতেই। কী হল হঠাৎ?

কলকাতা: নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করতেই কলকাতা পুরসভার গ্রুপ ছাড়লেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। কলকাতা পুরসভার দু'টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন তিনি। আচমকা পুরসভার দু'টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন ফিরহাদ। আর সেই জল্পনা তুঙ্গে। কেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তা খোলসা করেননি ফিরহাদ। ফলে বিষয়টি নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। (Firhad Hakim)
কলকাতা পুরসভার দু'টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, 'পাবলিক সেফটি' এবং 'ভেক্টর কন্ট্রোল' ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন ফিরহাদ। কলকাতা পুরসভার অনেকগুলি গ্রুপই আছে, যার মাধ্যমে কাজের সুবিধা হয়। ফিরহাদ কেন ওই দু'টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন, সেই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। (TMC News)
আরও পড়ুন: শুভেন্দু অধিকারীর শপথে হাজির প্রসেনজিৎ-জিৎ-জিশু, টলিউড থেকে হাজিরা দিলেন আর কারা?
সাধারণ ক্ষেত্রে, অন্য পদে গেলে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়া যেতে পারে। তবে ফিরহাদ কী কারণে অফিসিয়াল দু'টি গ্রুপ ছাড়লেন, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। কর্মীদের কাজের সুবিধার জন্যই ওই গ্রুপগুলি তৈরি হয়েছিল। কর্মীরা গ্রুপে রয়ে গিয়েছেন, কিন্তু খোদ মেয়রই গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে ভবানীপুরে প্রচার করেন ফিরহাদ। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা পরিদর্শনেও বেরিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ভোটগ্রহণ চলাকালীন মমতা যখন বুথে বুথে ঘুরছেন, সেই সময়ও মমতার পাশে ছিলেন ফিরহাদ। ফিরহাদের কন্যা প্রিয়দর্শিনী ভবানীপুরে কাউন্টিং এজেন্টও হন। কী ভাবে ভোটে কারচুপি হয়েছে, সেই নিয়ে মারাত্মক অভিযোগও তোলেন প্রিয়দর্শিনী।
২৫ বৈশাখ উপলক্ষে শনিবার কালীঘাটে মমতার দফতরে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। এদিন সেখানে উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ। আর তার পরই জানা গেল, কলকাতা পুরসভার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন ফিরহাদ।
এবারের নির্বাচনে নিজের কেন্দ্র কলকাতা বন্দর থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন ফিরহাদ। ৫৬ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। দলের হারের পর মমতা যে সাংবাদিক বৈঠক করেন, সেখানেও উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ। মমতা জানিয়েছিলেন, তৃণমূল হারেনি, জোর করে হারানো হয়েছে। আজ কালীঘাটের অনুষ্ঠানেও একই মন্তব্য করেন মমতা। বিজেপি বিরোধী সব দল, বামপন্থী, চরম বামপন্থীদেরও জোট গড়তে আহ্বান জানান তিনি। সকলের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলে জানিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত কোনও দলের তরফে সাড়া মিলেছে বলে খবর নেই। তবে জাতীয় স্তরে বিজেপি বিরোধী সব শিবির পাশে রয়েছেন বলে দাবি মমতার।






















