Kolkata: কসবা ল কলেজে ছাত্রীকে হেনস্থাকাণ্ডে মনোজিৎ সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন
Kasba: এর আগে, কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে মনোজিৎ মিশ্র সহ ৪ অভিযুক্তকে নিয়ে ল' কলেজে পুনর্নির্মাণ করেছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। চার অভিযুক্তকে নিয়ে কলেজে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

কলকাতা: কসবা ল'কলেজে (Kasba Law College) আইনের ছাত্রীকে গণধর্ষণকাণ্ডে চার্জ গঠন করা হল এবার। প্রাক্তন TMCP মনোজিৎ মিশ্রের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের চার্জ গঠন করা হয়েছে। মনোজিৎ মিশ্রের ২ সঙ্গী-সহ ৪জনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের ধারায় চার্জগঠন। 'গণধর্ষণ ছাড়াও জোর করে আটকে রাখা, অপহরণের ধারা', এমন সব অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারায় চার্জ গঠন করল কলকাতা পুলিশ। আলিপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে এই চার্জ গঠন করা হয়েছে। আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে বিচার প্রক্রিয়া, ওই দিনই প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। মনোজিৎ মিশ্র, প্রমিত মুখোপাধ্য়ায়, জেব আহমেদ, নিরাপত্তারক্ষী পিনাকী বন্দোপাধ্যায় প্রত্যেককেই জেরা করা হবে। জানানো হয়েছে পুলিশ সূত্রে।
উল্লেখ্য, এর আগে কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে মনোজিৎ সহ তাঁর ৪ সঙ্গী যাঁরা সেই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রত্যেককে নিয়ে কলেজে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ঠিক যেভাবে যেভাবে ঘটনা এগিয়েছিল, সেভাবেই ঘটনার পুণঃনির্মাণ করা হয়েছিল। ইউনিয়ন রুম, গার্ড রুম থেকে শৌচালয়, প্রত্যেক স্থানেই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই ৪ অভিযুক্তকে। নির্যাতিতা যেভাবে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, সেই বয়ান অনুযায়াই ঘটনাক্রম মিলিয়ে দেখছিলেন সেই গোয়েন্দা বিভাগ। সেদিন কলেজে ছিলেন পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা।
ঘটনার পুণঃনির্মাণের পর সেই ৪ অভিযুক্তকে সেদিন বের করে কলেজের বিভিন্ন অংশে নিয়ে গিয়ে থ্রিডি ম্য়াপং করেছিলেন তদন্তকারীরা। গার্ড রুম থেকে শুরু করে ইউনিয়ন রুম সহ প্রত্যেক জায়গার থ্রিডি ম্য়াপিং করা হয়েছিল। ক্রাইম সিনের ডিটেল মডেল তৈরি করতে এই থ্রিডি ম্যাপিং ব্যবহার করা হয়েছিল। কোনও প্রমাণ যাতে চোখ না এড়িয়ে যায়, তার জন্যই মূলত এই থ্রিডি ম্য়াপিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন তদন্তকারীরা। ঘটনাস্থলের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে থ্রিডি ম্যাপিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফটোগ্রামেট্রি টেকনোলজি ব্যবহার করা হচ্ছিল এই স্ক্যানারে।
আর জি কর ঘটনার পর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই শিক্ষাঙ্গনের এই কুৎসিত ঘটনা ঘটেছিল। যার প্রতিবাদে নাগরিক সমাজকে সোচ্চার হওয়ার জন্য রাজভবনের তরফে বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল। সেখানে জানানো হয়েছিল যে এই সব ঘটনায় মুখ বন্ধ রাখা মানে দোষীদের মুখ বুজে সহ্য করা। শিক্ষাক্ষেত্রে নৈরাজ্য় সৃষ্টিকারী সর্বগ্রাসী শক্তিকে থামাতে গোটা সমাজকে রুখে দাঁড়াতে হবে।
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যে কলেজগুলো রয়েছে, সেই কলেজগুলোর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার বিষয়েও জোর দিতে বলেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসও।






















