Kasba Incident: কসবাকাণ্ডে এবার ধৃত ৩ জনকেই কলেজ থেকে বহিষ্কার
Kasba Incident Update: ক্যাম্পাসে ছাত্রীকে 'গণধর্ষণ'এর ঘটনার পর ধৃত ৩ জনকে কলেজ থেকে বহিষ্কার

কলকাতা: ক্যাম্পাসে ছাত্রীকে 'গণধর্ষণ'এর ঘটনার পর ধৃত ৩ জনকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হল। কলেজের অস্থায়ী কর্মীর পদ থেকে বহিষ্কৃত ধৃত মনোজিৎ মিশ্র। বাকি ২ পড়ুয়াকেও কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাউথ ক্যালকাটা ল' কলেজে গভর্নিং বডির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, কসবাকাণ্ডে দলের শোকজে ক্ষমা চাইলেন মদন মিত্র, 'দল পদক্ষেপ করলেও আমি দল ছাড়ব না..'
ঘটনার দিন বিকেল ৪টের পর কারা কারা কলেজে ছিল? ৩ অভিযুক্ত ও নির্যাতিতা ছাড়া আর কেউ ঘটনার সাক্ষী ছিলেন কি না? কসবাকাণ্ডে আরও তথ্য জানতে ১৭ জনের তালিকা তৈরি করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ওই দিন বিকেল ৪টের পর ১৭ জন পড়ুয়া কলেজে ছিলেন। এদের মধ্যে ২ জনকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। জানতে চাওয়া হবে, ছুটির পর ওই পড়ুয়ারা কলেজে কী করছিলেন? কী দেখেছিলেন? ছাত্রীকে নির্যাতন সম্পর্কে তাঁরা কিছু জানেন কি না।
বুধবার সাউথ ক্যালকাটা ল' কলেজে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। আর সেই ঘটনার পরদিনই, কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল নয়না চট্টোপাধ্য়ায়কে ফোন করেছিলেন মনোজিৎ মিশ্র! ধৃত তৃণমূলকর্মীর মোবাইল ফোনের কল লিস্ট থেকে এমনই তথ্য় মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। মনোজিৎ কেন ফোন করেছিল, দুজনের মধ্য়ে কী কথা হয়েছিল, তা জানতে, ভাইস প্রিন্সিপালকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভাইস প্রিন্সিপাল সে কথা স্বীকার করলেও, তিনি দাবি করেছেন বৃহস্পতিবার তাঁর সঙ্গে মনোজিতের অফিসিয়াল কথাবার্তা হয়েছে। অন্য়দিকে, গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট হিসেবে, মনোজিতকে নিয়োগপত্র দেওয়া নিয়ে প্রশ্নের মুখে তৃণমূল বিধায়ক অশোক দেবের ভূমিকা। মনোজিৎ মিশ্রর সঙ্গে তার যে কতটা সুসম্পর্ক ছিল, তার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
তাঁর বিরুদ্ধে শহরের থানায় থানায় অভিযোগ!কখনও শ্লীলতাহানি...কখনও দাদাগিরি...কখনও সিভিক ভলান্টিয়ারকে চড়!নিজের কার্যকলাপের জন্য় একসময় কলেজ থেকে রাস্টিকেটও করা হয়েছিল! অথচ তারপরও সেই মনোজিৎ মিশ্রই সাউথ ক্য়ালকাটা ল কলেজে অস্থায়ী কর্মীর চাকরি পেয়ে গেছিলেন! অর্থাৎ একটা বিষয় স্পষ্ট তাঁর মাথায় প্রভাবশালীদের হাত ছিল! এই প্রেক্ষাপটেই গণধর্ষণকাণ্ডের তদন্তে সামনে এল চাঞ্চল্য়কর তথ্য়! বুধবার কলেজে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।পুলিশ সূত্রে দাবি, কল ডেটা রেকর্ড দেখে জানা যায়, ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন), কলেজের ভাইস প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা হয়েছিল মনোজিতের।সে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ভাইস প্রিন্সিপালও। তবে ওই দিন মনোজিতের সঙ্গে তাঁর অফিসিয়াল কথা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।






















