Koel Mallik : আজ সাংসদ পদ ছাড়তে পারেন কোয়েল? আর ইস্তফার পথে...
রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়তে পারেন সুখেন্দু শেখর রায় ও কোয়েল মল্লিক। গত এপ্রিলে রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক।

তৃণমূলের সংসদীয় দলের ভাঙন? আজ তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন ২ সাংসদ । রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়তে পারেন সুখেন্দু শেখর রায় ও কোয়েল মল্লিক। গত এপ্রিলে রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক।
কোয়েল মল্লিকের নাম সামনে আসায় জল্পনা আরও বেড়েছে। কারণ, গত এপ্রিল মাসেই তিনি রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথ নিয়েছিলেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর সম্ভাব্য ইস্তফার খবর রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, বর্ষীয়ান সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় দীর্ঘদিন ধরেই দলের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত জানিয়ে আসছিলেন। ফলে তাঁর সম্ভাব্য পদত্যাগের জল্পনা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে।
যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। দুই সাংসদের পক্ষ থেকেও ইস্তফা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানানো হয়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যদি এই পদত্যাগ সত্যি হয়, তাহলে তা তৃণমূলের সংসদীয় রাজনীতিতে বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হবে।
জল্পনা এখন আরও তুঙ্গে - আজই সংসদেও তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন হতে পারে। দলের অন্দরে ক্রমশ বাড়তে থাকা অসন্তোষ ও বিদ্রোহের আবহে এই কথাই এখন ঘুরছে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতির অন্দরে। বিধানসভা, পুরসভা ও জেলা পরিষদের পর এবার সংসদীয় দলেও বড়সড় ফাটলের জল্পনা তীব্র হয়েছে। আর সেই আবহেই দিল্লিতে রয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোমবার রাজধানীতে ইন্ডি জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে, যেখানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অন্যদিকে, গত শনিবার থেকেই দিল্লিতে অবস্থান করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্য রাজনীতিতে ক্রমশ চাপের মুখে পড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এবার জাতীয় রাজনীতিতে ইন্ডি জোটের হাত ধরে নতুন করে প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।
এই আবহে সংসদীয় দলে ভাঙনের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে তৃণমূলের একাধিক সাংসদ নেতৃত্বের উপর অসন্তুষ্ট। ইতিমধ্যেই দলের ভিতরে বিদ্রোহের ইঙ্গিত মিলছে বলেও দাবি রাজনৈতিক মহলের। আর সেই জল্পনায় কার্যত সিলমোহর দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় তাঁর মন্তব্যের মাধ্যমে। তিনি বলেন, ভাঙনের টের পাওয়ার আগে সেতু বাঁধতে হয়, বোল্ডার ফেলতে হয়। আগুন লাগার আগেই ব্যবস্থা নিতে হয়। যারা পারে না তারা পুড়ে মরে। যারা পারে না তারা ডুবে মরে।
বিধানসভা, পুরসভার রাশ হাত থেকে বেরিয়ে গেছে। সংসদীয় দলের ওপর মমতার নিয়ন্ত্রণও কি সপ্তাহের শুরুর দিনেই শেষ হয়ে যাবে? অপেক্ষা সেটাই দেখার।
আরও পড়ুন : অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল অ্যাপে ভুল তথ্য দিয়ে ফেলেছেন? কী করণীয়?
Before You Go
Liver Foundation | ২০ বছর পূর্তি উদযাপন করল লিভার ফাউন্ডেশন ওয়েস্ট বেঙ্গল






















