Humayun Kabir : প্রস্তাবিত সভার আগে ব্রিগেডে হুমায়ুন, দেখতেই 'গো ব্যাক' স্লোগান তৃণমূলকর্মীদের !
Humayun Kabir Brigade : তৃণমূল সরকারকে উপড়ে ফেলার ডাক সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা: ব্রিগেডে হুমায়ুন কবীরকে 'গো ব্য়াক' স্লোগান তৃণমূলকর্মীদের। প্রস্তাবিত সভার আগে এদিন ব্রিগেডে যান হুমায়ুন কবীর। সেখানেই 'গো ব্য়াক' স্লোগান দেওয়া হল হুমায়ুনকে।৩১ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সভার পরিকল্পনা হুমায়ুনের। তার আগে আজ মাঠ পরিদর্শনে এলেন, মাঠ পরিদর্শনের পর সভার জন্য অনুমতি চাইবেন হুমায়ুন কবীর।
তৃণমূল সরকারকে উপড়ে ফেলার ডাক সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতার। পশ্চিমবঙ্গে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির সরকার আনতে চাই, জানিয়েছেন এদিন হুমায়ুন কবীর। 'বাবরি মসজিদ হবে, সমাবেশও হবে' , কে কী বলল, কিছু যায় আসে না, বললেন হুমায়ুন কবীর।
প্রশ্ন : তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে ..
হুমায়ুন কবীর: দেখাতেই পারে।
প্রশ্ন : বিজেপির দালাল বলছে আপনাকে..
হুমায়ুন কবীর: কে কার দালাল, সেটা সময় কথা বলবে।
দলের বয়স সবে ১৪ দিন। ১ লা ফেব্রুয়ারি, ব্রিগেডে লক্ষ লক্ষ লোক নিয়ে সভা করার টার্গেট ঠিক করেছেন হুমায়ুন কবীর। তার জন্য সোমবার এসেছিলেন ব্রিগেডের মাঠ পরিদর্শনে। জনতা উন্নয়ন পার্টি চেয়ারম্যান, সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর বলেন, ১ লা ফেব্রুয়ারি অনুমতি পেলে সভা করব। ১০ লক্ষ লোক হবে।কিন্তু সেখানেই কাটল তাল। হঠাৎ হুমায়ুন কবীরকে মাঠের মধ্যেই পড়তে হল বিক্ষোভের মুখে। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী মহম্মদ আজাদ বলেন, ইনি (হুমায়ুন কবীর) বিজেপির দালাল। ওঁকে কথা বলার জন্য় দাঁড়াতে বলুন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দূরের কথা, ও পালাচ্ছে... হুমায়ুন কবীর পালাচ্ছে। ওকে দু'মিনিট দাঁড়িয়ে কথা বলতে বলুন।এরপর হুমায়ুন কবীরের গাড়ির সামনেও গো ব্যাক স্লোগান দেন তাঁরা। হাতে ব্যাট। হুমায়ুন কবীর যখন সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখছেন তখনই পিছন থেকে বাইকে করে আসে কয়েকজন।
প্রশ্ন: এখানে নিজে এসেছেন? না কেউ পাঠিয়েছে?
মহম্মদ আজাদ, বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী : এখানে এসেছি ক্রিকেট খেলতে।
প্রশ্ন: কিন্তু ব্রিগেডের মাঠে জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানকে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া এরা কারা?
মহম্মদ আজাদ, বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী : বিজেপির লোক। পশ্চিমবঙ্গের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে।
প্রশ্ন: আপনারা?
মহম্মদ আজাদ, বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী :আমরা সাধারণ কর্মী।
প্রশ্ন: কোথায় বাড়ি?
মহম্মদ আজাদ, বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী : গার্ডেনরিচে বাড়ি। কলকাতা বন্দর।
প্রশ্ন: কোনও রাজনৈতিক দল করেন কি?
মহম্মদ আজাদ, বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী :হ্য়াঁ। রাজনৈতিক দল করি। তৃণমূল করি। তৃণমূল কংগ্রেস। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।
এরপরই আবার এই নিয়ে আলাদা করে সাংবাদিক বৈঠক করেন হুমায়ুন কবীর। সেখান থেকে অল আউট আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। হুমায়ুন কবীর বলেন, কয়েকজন বিজেপির দালাল বলেছে আমাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার দালাল? দুধেল গাইরা জোড়া পায়ে লাথি মারবে এবার। টিএমসিকে চ্যালেঞ্জ করছি খেলা হোক ১ ফেব্রুয়ারি। জোটে যারা থাকবে তারা ওইদিন ব্রিগেডের মঞ্চে থাকবে । ব্রিগেডে সভা হলে কি ওইদিন বড় কোনও চমক দেবেন হুমায়ুন কবীর? সেটাই এখন দেখার।






















