Metro Work: চিংড়িঘাটার পরে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনে খুলল আরও একটি জট, এবার কোন এলাকায় মিলল কাজের অনুমতি
Kolkata Metro Work: চিংড়িঘাটায় মেট্রোর যে কাজ প্রায় ২ বছর ধরে আটকে ছিল, রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর, তা মিটেছে মাত্র ১২০ ঘণ্টায়। এবার সেই অরেঞ্জ লাইনের আরও একটি জট খুলল।

অরিত্রিক ভট্টাচার্য, কলকাতা : চিংড়িঘাটার পরে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনে আরও একটি জট খুলে গেল। পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের কাছে ভিআইপি রোডের হলদিরাম এলাকায় কাজ করার অনুমতি পেল মেট্রো। এবার দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
চিংড়িঘাটায় মেট্রোর যে কাজ প্রায় ২ বছর ধরে আটকে ছিল, রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর, তা মিটেছে মাত্র ১২০ ঘণ্টায়। এবার সেই অরেঞ্জ লাইনের আরও একটি জট খুলল। চিংড়িঘাটার পর VIP রোডের হলদিরাম চত্বরে কাজ করার অনুমতি পেল মেট্রো। অভিযোগ, ২ বছর আগে এই কাজের জন্য অনুমতি চাওয়া হলেও তৎকালীন রাজ্য সরকার অনমতি দেয়নি। বিজেপি সরকার আসার পরেই এই কাজের অনুমতি মিলল।
রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড একটি একমুখী রাস্তা তৈরি করছে। প্রায় ১৭৫ মিটার দীর্ঘ এবং ৯ মিটার চওড়া এই রাস্তা VIP রোডকে চিনার পার্কের সঙ্গে যুক্ত করবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, আগামী মাসের মধ্যেই রাস্তা ব্যবহারের উপযোগী হয়ে যাবে। দীর্ঘদিন ধরে হলদিরাম উড়ালপুল সংলগ্ন এলাকায় অরেঞ্জ লাইনের শেষ দুটি পিলার নির্মাণে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। ওই অংশে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত না করলে, কাজ এগোনো সম্ভব হচ্ছিল না।
অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের কাছে বারবার আবেদন করা হলেও অনুমতি মেলেনি। এবার সেই কাজ শুরু করল মেট্রো। অরেঞ্জ লাইনের শেষ প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার অংশ সিটি সেন্টার–২ থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই অংশের অধিকাংশ উড়ালপথে হলেও বিমানবন্দরের আগে প্রায় ৮৫০ মিটার ভূগর্ভস্থ পথে প্রবেশ করে এবং কৈখালিতে একটি র্যাম্পের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়েছে। হলদিরাম মোড়ের জটিল বাঁক ও উড়ালপুলের অবস্থানের কারণেই বিশেষ নকশার দুই-পায়ের পিলার নির্মাণের প্রয়োজন হয়েছে। রাস্তা তৈরি হয়ে গেলেই মেট্রো প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড পিলার নম্বর P816 ও P817-এর নির্মাণকাজ শেষ করবে।
বর্তমানে দুটি পিলারের প্রতিটির একটি করে অংশ তৈরি হয়েছে। বাকি অংশ নির্মাণের পর পাইল ক্যাপ, পিয়ার ক্যাপ এবং তার উপর ভায়াডাক্ট বসানোর কাজ হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও প্রায় তিন মাস সময় লাগতে পারে বলে মনে করছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন রাস্তা চালু হওয়ার পর ট্রাফিকের উপর চাপ কমিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হবে।






















