(Source: Poll of Polls)
SSC Scam: পরেশ অধিকারীকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির, প্রশ্নের মুখে প্রথমবার অঙ্কিতাও
ED on Paresh: পরেশ অধিকারী ও অঙ্কিতা অধিকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি। ইডি জিজ্ঞাসাবাদের পর বললেন কী বললেন প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ?

কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ( Reqruitment Corruption) প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে (Paresh Adhikari) ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির (ED)। প্রথমবার, পরেশকন্যা অঙ্কিতা অধিকারীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি। 'সময় হলেই সব জানা যাবে', ইডি জিজ্ঞাসাবাদের পর বললেন পরেশ অধিকারী।
সূত্রের খবর, পরেশের বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত নথি ও ল্যাপটপ সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ। এর আগে সোমবার ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল পরেশ অধিকারীকে। ইডি সূত্রে খবর, প্রয়োজনে ফের তলব করা হতে পারে পরেশ অধিকারী ও তাঁর মেয়েকে। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলা প্রকাশ্যে আসার পরপরই পরেশ অধিকারীর মেয়ের অঙ্কিতার নাম সামনে আসে। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশে ইতিমধ্যেই পরেশ-কন্যার চাকরি গেছে। বেতনের টাকাও অঙ্কিতাকে ২ কিস্তিতে ফেরত দিতে হয়েছে। সেই সময়ই অঙ্কিতার বাবা, প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, প্রভাব খাটিয়ে যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে তিনি নিজের মেয়েকে চাকরি পাইয়ে দেন। যে অভিযোগ ওঠার পরই মন্ত্রিত্ব খোয়ান পরেশ অধিকারী ।
ইতিমধ্যেই CBI জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পরেশ অধিকারীকে। সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে যান পরেশ। ইডি সূত্রের খবর, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি কি নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে কিছু জানতেন না ? জেলা থেকে ঘুরপথে চাকরির সুপারিশের অভিযোগ সম্পর্কে তাঁর কাছে কী তথ্য আছে ? কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কী ? এই সমস্ত বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় তৃণমূল বিধায়ক পরেশ অধিকারীর কাছে। জিজ্ঞাসাবাদের শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পরেশ অধিকারী জানান, যে সমস্ত ডকুমেন্টস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, সেটা ফেরত দিতে ডাকা হয়েছিল তাঁকে। পরে দিনক্ষণ জানিয়ে দেওয়ার পর আবার আসবেন বলেও জানান তিনি। যদিও মেয়ের চাকরি সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন তাঁকে করা হয়নি বলেও জানান তৃণমূল নেতা।
আরও পড়ুন, ফের গান বাঁধলেন মদন, ফোকাসে পঞ্চায়েত ভোট ও আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ
প্রসঙ্গত, রাজ্যে এসএসসি মামলায় নাম জড়ায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পরেশ অধিকারী সহ আরও অনেকেরই। এদিকে পরেশ কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীরও এসএসসি দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ানোর পর এনিয়ে তদন্ত শুরু হয়। তারপরেই কম নাম্বার পেয়েও কীভাবে চাকরি হয়েছে, এদিকে যোগ্য নাম্বারেও চাকরি পাননি ববিতা সরকার, এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই, এই মামলায় , পরেশ কন্যাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।























