Gold Recovered: আড়াই কেজি সোনা উদ্ধার কলকাতার ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ! আর কী মিলল ইডি- র তল্লাশিতে ?
আড়াই কেজি সোনা উদ্ধার কলকাতার ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ! আর কী মিলল ইডি- র তল্লাশিতে ?

প্রকাশ সিন্হা, কলকাতা - মার্ক্যুইজ স্ট্রিটে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশিতে বাজেয়াপ্ত আড়াই কেজি সোনা। আড়াই কেজি সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা। গতকাল সোনা পাপ্পু মামলায় ম্যারাথন তল্লাশি অভিযানে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মার্ক্যুইজ স্ট্রিটে ব্যবসায়ী মহম্মদ আলির বাড়িতে চলে অভিযান। 'গতকাল একাধিক ঠিকানায় ED-র তল্লাশিতে প্রায় ১৫ লক্ষ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রচুর ডিজিটাল এভিডেন্স', মুর্শিদাবাদের কান্দিতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের পৈতৃক বাড়িও ফ্রিজ করেছে ইডি।
শুক্রবার একসঙ্গে ৯টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। ইডি সূত্রে খবর, ১০ থেক ১২ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে মার্ক্যুইজ স্ট্রিটে ব্যবসায়ী মহম্মদ আলির হোটেল এবং বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে প্রচুর নথি পাওয়া গিয়েছে এবং আড়াই কেজি সোনাও উদ্ধার হয়েছে যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে দুবাইয়ের চারটি সম্পত্তির নথি। এছাড়াও ভারত এবং কলকাতায় এই ব্যবসায়ীর থাকা বিভিন্ন সম্পত্তির নথি পাওয়া গিয়েছে। এর পাশাপাশি প্রচুর ডিজিটাল ডকুমেন্টও পাওয়া গিয়েছে তল্লাশিতে, জানা গিয়েছে ইডি সূত্রে।
সাধারণ মানুষের কোনও অসুবিধা নয় ! ট্র্যাফিক সিগন্যালে দাঁড়াল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়
মহম্মদ আলির ফলের ব্যবসা রয়েছে। অনেক হোটেলও রয়েছে। তাঁর বাড়ি থেকে সোনা এবং সম্পত্তির ডকুমেন্ট ও অন্যান্য নথির পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে ১৫ লক্ষ নগদ টাকা। ইডি আধিকারিকদের অনুমান, তাহলে কি কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস যিনি ইতিমধ্যেই ইডি- র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর কালো টাকা এখানে সোনায় রূপান্তর করা হয়েছিল? তদন্ত করে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যে নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে তা কালো টাকা কিনা কিংবা আরও কালো টাকা ছিল কিনা যা হয়তো সোনার রূপান্তর করা হয়েছিল এবং এখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল - এমন সন্দেহও করছেন ইডি- র তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই ব্যবসায়ীর বিভিন্ন ব্যবসায় শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের বিনিয়োগ ছিল কিনা, কলকাতা পুলিশের ডিসি- র কালো টাকা সোনায় রূপান্তর করা হয়েছিল কিনা, সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
দেশে ও বিদেশের যেসব সম্পত্তির নথি পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি ওই কালো টাকা দিয়ে কেনা হচ্ছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই পুরো চক্রে কে কে যুক্ত, কী কী করা হয়েছে টাকা এবং সোনার আড়ালে, সবদিকেই নজর রেখে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। অর্থাৎ শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের টাকা ব্যবসায়ী মহম্মদ আলির ব্যবসায় যুক্ত ছিল কিনা, উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা কালো টাকা কিনা, কালো টাকা সাদা করতেই সোনা কিনে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল কিনা - এই সব বিষয়গুলিই মাথায় রেখে তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাবেন ইডি আধিকারিকরা।






















