Sona Pappu : আজ ইডি গ্রেফতার করলে কী করবেন ? উত্তরে 'কলকাতার মোস্ট ওয়ান্ডেট' সোনা পাপ্পু বললেন...
Enforcement Directorate : আর্থিক প্রতারণা ও তোলাবাজি মামলায় সোনা পাপ্পুকে বারবার তলব করেছিল ED।

আবির দত্ত, কলকাতা : আজ যদি ইডি গ্রেফতার করে কী করবেন ? ইডি দফতরে ঢোকার মুখে এবিপি আনন্দর প্রতিনিধির প্রশ্নে এর উত্তর দিলেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু। তিনি বলেন, "আইনের রাস্তায়। যদি গ্রেফতার করে...।" এর পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, জীবনে কোনও দিন তোলবাজি করেননি। যদিও এর আগে গত পয়লা এপ্রিল আর্থিক প্রতারণা, তোলাবাজির অভিযোগে বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বা়ড়ি, বালিগঞ্জে সান এন্টারপ্রাইজের অফিস ও বেহালায় সংস্থার MD জয় এস. কামদারের বাড়ি-সহ ১০ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল ED। আর্থিক প্রতারণা ও তোলাবাজি মামলায় সোনা পাপ্পুকে বারবার তলব করেছিল ED। তাঁর বাড়ি থেকে এর আগে সম্পত্তি সংক্রান্ত প্রায় ৩০০ পাতার নথি উদ্ধার হয়েছিল।
এদিন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের অফিসে আসেন সোনা পাপ্পু। ঢোকার মুখে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, সারেন্ডার করছেন ? উত্তরে তিনি বলেন, "আমি তো কোনও দোষ করিনি যে সারেন্ডার করছি। আমি যাচ্ছি দেখা করতে । ওরা কী বলে দেখি তারপর...। সারেন্ডার নয়। আমি দেখা করতে যাচ্ছি। আমাকে চিঠি দিয়ে দেখা করতে বলেছিল। আমি দেখা করতে যাচ্ছি।"
প্রসঙ্গত, এর আগে ধৃত ব্য়বসায়ী জয় এস কামরদারকে আদালতে পেশ করে ED দাবি করেছিল, আরও রাঘব গোয়ালরা আছে, তারাও লাভবান। সোনা পাপপুর মতো 'ক্রিমিনালের' সঙ্গে জয় এস কামদারের সম্পূর্ণ নেক্সাস কী, সেটা জানতে চায় ED। এই জয় এস কামদার প্রসঙ্গে এদিন সোনা পাপ্পু বলেন, "জয় এস কামদার জাস্ট আমার বন্ধু। ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও সম্পর্ক ছিল না।" তাঁর সংযোন, "জীবনে কোনও দিন তোলাবাজি করিনি। আমি ব্যবসায়ী। আমার বাবার সোনার দোকান। আমারও সোনার দোকান। আমি কোনও দিন তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত নই। আজ পর্যন্ত কোনও থানায় কোনও কমপ্লেন তোলাবাজির আমার সম্বন্ধে নেই।"
জমি সংক্রান্ত ব্যবসায় বেআইনিভাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগে সান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় এস কামদারকে গ্রেফতার করেছে ED. এর মধ্য়েই চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আদালতে ED জানায়, তদন্তে নেমে সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড নামে একটি কোম্পানির হদিশ মিলেছে, যার একজন ডিরেক্টর জয় এস কামদার। অন্য়দিকে, আরেকটি কোম্পানির খোঁজ মিলেছে এস পি কনস্ট্রাকশন নামে, যার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর নামে। ED-র দাবি, সেই কোম্পানির অ্য়াকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে এই সংস্থার প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, ED-র দাবি, সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড নামক এই কোম্পানির সঙ্গে সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে রেজিস্টার কোম্পানি, যার নাম হ্যাভেন ভ্যালি, সেই কোম্পানিরও আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যদিও এই কোম্পানির বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন সোনা পাপ্পুর স্ত্রী।






















