Madhyamgram Death : বিছানায় পড়ে প্রাণহীন শিশুকন্যা, রান্নাঘরে পড়ে মা ! মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ ঘটনা
আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন বাবা, তেমনই মমহিলার স্বামীর দাবি, তাঁর সঙ্গে বিকেল বেলাও কথা হয়েছে স্ত্রী-র। একেবারেই স্বাভাবিক কথোপকথন।ধ্যমগ্রামেও মা ও শিশু কন্যার মৃত্যু ঘিরে দানা বাঁধছে একইরকমের সন্দেহ।

সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা : ট্যাংরাকাণ্ডের পর একের পর এক হা়ড়হিম করা ঘটে চলেছে রাজ্যে। কখনও উত্তর ২৪ পরগনায় , কখনও আবার খাস কলকাতায়। একের পর এক রহস্যমৃত্যু ঘটে চলেছে। একদিকে শনিবার যখন কলকাতা শহরে পাওয়া গেল বাবা - মেয়ের ঝুলন্ত দেহ, ঠিক সেদিনই মধ্যমগ্রামের দোহারিয়ার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল মা ও শিশু কন্যার দেহ। একদিকে কলকাতার শকুন্তলা পার্কের ঘটনায় যেমন সন্দেহ করা হচ্ছে, মেয়ের অসুস্থতা নিয়ে ডিপ্রেসনে থাকায়, তাঁকে খুন করে আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন বাবা, তেমনই মধ্যমগ্রামেও মা ও শিশু কন্যার মৃত্যু ঘিরে দানা বাঁধছে একইরকমের সন্দেহ।
শুক্রবার রাতে দরজা ভেঙে দুজনের দেহ উদ্ধার হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর । প্রথমে বিছানার মধ্যে পাঁচ বছরের মেয়ে প্রশংসা দাসের দেহ উদ্ধার হয়। তারপর রান্না ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায় ২৫ বছরের গৃহবধূ প্রিয়াঙ্কা দাসের দেহ। দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করে।
গৃহবধূর স্বামী সুমন দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে একটি সুইসাইড নোটও। তাতে উল্লেখ রয়েছে 'আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়'। প্রাথমিক ভাবে সন্দেহ, বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে তাঁদের। সন্দেহজনকভাবে গৃহবধুর দেহে কেরোসিন তেলের উপস্থিতি মিলেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মহিলার স্বামীর দাবি, তাঁর সঙ্গে বিকেল বেলাও কথা হয়েছে স্ত্রী-র। একেবারেই স্বাভাবিক কথোপকথন। কোথাও কোনও অস্বাভাবিকতা নজরে আসেনি। সকাল সকাল যে মহিলাকে হাসিমুখে দেখেছেন, তিনি এমন কাণ্ড ঘটাতে পারেন বলে মানতে পারছেন না কেউই। স্বামী বলেন, তিনিও ভাবতে পারেন না, কোনও মা শিশুকে খুন করতে পারে। আসলে কি আত্মহত্যারই ঘটনা ? নাকি কেউ মা ও শিশুকে হত্যা করেছে ? রহস্যের সমাধান হতে পারে দেহের ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলে।
বিস্তারিত : 'ট্যাংরাকাণ্ডে বৌদি ও স্ত্রীর গলা কেটেছিল প্রসূনই' ! তাহলে প্রণয়ের নাবালিকা কন্যাকে খুন করল কে?
অন্যদিকে, কলকাতার শকুন্তলা পার্কে চিমনি-ওয়াটার পিউরিফায়ারের দোকান থেকে বাবা-মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল বাবা - মেয়ের দেহ। বছর ৫৩-র ব্যবসায়ীর নাম স্বজন দাস। তাঁর মেয়ে ২২ বছরের সৃজা অটিজমে আক্রান্ত ছিলেন। সেই জন্যই ডিপ্রেসনে ছিলেন বাবা? উত্তর এখনও অমিল।






















