Jahangir Khan:'কেন বহিষ্কার করা হচ্ছে না জাহাঙ্গিরকে?', প্রশ্ন তৃণমূলের বৈঠকেই ! কী বললেন মমতা ?
Mamata On TMC On Jahangir Khan : 'কেন বহিষ্কার করা হচ্ছে না জাহাঙ্গিরকে?', প্রশ্ন উঠল কালীঘাটে মমতার বাড়িতে তৃণমূলের বৈঠকেই !

আশাবুল হোসেন, কলকাতা: ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। আর এবার জাহাঙ্গিরকে নিয়ে প্রশ্ন উঠল তৃণমূলের বৈঠকেই। 'কেন বহিষ্কার করা হচ্ছে না জাহাঙ্গির খানকে?', জাহাঙ্গির খান নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ২ তৃণমূল বিধায়কের।'অভিষেকের সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল জাহাঙ্গির খানের', জাহাঙ্গিরকে নিয়ে প্রশ্নের মুখে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, খবর সূত্রের। 'ট্যুইট হয়েছে দেখে নাও', বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্র মারফত খবর, 'মন খুলে কথা বলতে দিতে হবে। নেতারা মাঠে নামুন, ঘরে বসে থাকলে কি করে হবে?' কালীঘাটের বৈঠকে বললেন কুণাল-সন্দীপন-ঋতব্রত।
মূলত, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে যে, জাহাঙ্গির খান এই যে মাঝপথে নির্বাচন থেকে সরে এসেছে, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই, এটা জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সম্পর্ক। এবং তার এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করা হয়েছে।এই বিষয়টা নিয়েই আজকে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে, তৃণমূলের যে নব নির্বাচিত বিধায়ক, তাঁদের বৈঠকে এই প্রসঙ্গ ওঠে। কেন জাহাঙ্গির খানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
দাপট উধাও। তেজ ফিকে। দলের রাজপাট অতীত হতেই দাপুটে নেতা এখন নেতিয়ে পড়েছেন। ফলতার জাহাঙ্গির খান। পুনর্নির্বাচনের আগেই ভোটের ময়দান ছেড়ে কার্যত পালালেন।আর তারপর থেকেই, বাড়িতে কিংবা পার্টি অফিসে, কোথাও দেখা মেলেনি জাহাঙ্গিরের।ফলতার বসতবাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই জাহাঙ্গির খানের পার্টি অফিস, কিছুদিন আগেও, যার সামনের রাস্তা গমগম করত, লোকে-লোকারণ্য থাকত গোটা এলাকা, সেখানে এখন কার্যত শ্মশানের নিস্তব্ধতা, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এই পার্টি অফিস থেকেই ফলতায় 'কন্ট্রোল' বজায় রাখতেন স্বঘোষিত পুষ্পা।
ফলতা বিজেপি সমর্থক ও বাসিন্দা অসীম নস্কর বলেন, আমি বিজেপি সমর্থক। দেওয়াল লেখার পরে, ভোটের পরের দিন আমাকে ডেকে নিয়ে আসা হয়। জাহাঙ্গির এবং ওঁর ভায়রাভাই সায়রুল, দুজনে মিলে অসম্ভব মেরেছিল। এই শাটার খুলে ভিতরে মারা হয়েছিল। হেঁটে যেতে পারিনি।ফলতার বাসিন্দা সুমন্ত মণ্ডল বলেন, ১০০ দিনের কাজের টাকা ঝেড়ে খাচ্ছে আমাদেরই গ্রামের একটা কুঁচো নেতা। তাঁকে আমি আপত্তি করেছিলাম আর সেই অপরাধেই আমার ওপরে চড়াও হয়। আমাকে ৩ বছর বাড়ি ফিরতে দেয়নি।






















