TMC Leader Arrested: অ্যাকশন মোডে পুলিশ, একইদিনে বিভিন্ন অভিযোগে তৃণমূল নেতাসহ ৬ জেলায় ১০ জন গ্রেফতার
West Bengal Government: আজ বিধানসভা অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া ভাষায় জানিয়ে দেন ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত লোকজনের স্থান হবে জেল।

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত বিজপি সরকার বারংবার ভোট পরবর্তী হিংসা রোখার বার্তা দিয়েছেন। আজ বিধানসভা অধিবেশনেও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) কড়া ভাষায় জানিয়ে দেন ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত লোকজনের স্থান হবে জেল। সেইদিনেই বিভিন্ন সময়ে ভোটকেন্দ্রিক তো বটেই, তা ছাড়াও বিভিন্ন ঘটনায় অভিযুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে (TMC Leader Arrested) গ্রেফতার করা হল। সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। তৃণমূল নেতাসহ ৬ জেলায় আজই ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বিধানসভা অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে ছিলেন, 'ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের বিরুদ্ধে হিংসার অভিযোগ নেই, তাঁরা যদি ঘরছাড়া হয়ে থাকেন তবে, পুলিশ নিজে তাঁদের সবাইকে বাড়িতে ঢুকিয়ে দেবে। কিন্তু ২০১১-র ভোট পরবর্তী হিংসার সঙ্গে যাঁদের যোগ আছে তাঁরা গ্রেফতার হবেন, জেলে যাবেন।' এরপরেই গোটা দিনভর অ্যাকশন মোডে দেখা গেল পুলিশকে।
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন প্রোমোটার পেটানো বাগুইআটির তৃণমূল কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী। তৃণমূলের আরেক বিদায়ী কাউন্সিলর মানস রায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর্থিক প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন দুর্গাপুর পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর। মোবাইলের দোকান থেকে মোবাইল কিনে প্রভাব খাটিয়ে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।
দুবরাজপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি ও তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করা হল। তৃণমূল নেতা স্বপন মণ্ডল ও তাঁর ছেলে দীপাঞ্জন মণ্ডল গ্রেফতার করা হয়েছে। দুবরাজপুরে পারুলিয়া গ্রামে গন্ডগোলের জেরে সদাইপুর থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা ও তাঁর ছেলে।
আরও পড়ুন:- এসএসকেএমে পৌঁছলেন শুভেন্দু অধিকারী, স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
বাঁকুড়ার পাত্রসায়রে হাটকৃষ্ণনগরে অশান্তিতে ইন্ধনের অভিযোগেও গ্রেফতার হয়েছেন পাত্রসায়রের দুই তৃণমূল নেতা। ধৃত বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মিলন করি। গ্রেফতার কুশবদ্বীপের অঞ্চল সভাপতি শাহজাহান মিদ্দা। হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ভাঙড়ের দেউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাফিজুল মোল্লা ও তাঁর সহযোগী শাহজাহান মোল্লা। নির্বাচনের সময় আইএসএফ সহ বিরোধীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
খুন ও খুনের চেষ্টার অভিযোগেও গ্রেফতার করা হয়েছে একাধিক তৃণমূল নেতাকে। খুনের চেষ্টার ঘটনায় যোগসাজশের অভিযোগে গ্রেফতার বাঁকুড়ার তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি নেতা শ্যামসুন্দর দত্ত। ১৫ এপ্রিল বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন বিবেক মালাকার নামে এক যুবক। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিবেক মালাকারের বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা।
খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন নবগ্রাম ব্লক তৃণমূল সভাপতি। ২০২৩ সালে এক যুবককে গুলি করে খুনের অভিযোগ করা হয় তৃণমূল নেতা মহম্মদ এনায়েতুল্লাহের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও খুনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।























