Bangaon News: জেলায় জেলায় নেতৃত্বে রদবদল TMC-র, মমতাবালা পদে বসতেই বিস্ফোরক শ্যামল, 'আমি গোড়া থেকেই লবিবাজির শিকার..'!
Shamal Roy On Mamata Bala Thakur After Loosing Post: শ্যামল রায়কে সরিয়ে তৃণমূলের নতুন চেয়ারম্যান মমতাবালা ঠাকুর, আর এবার পদ হারিয়ে বিস্ফোরক বনগাঁ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন চেয়ারম্যান, যা বললেন..

কলকাতা: জেলায় জেলায় নেতৃত্বে রদবদল তৃণমূলের। শ্যামল রায়কে সরিয়ে তৃণমূলের নতুন চেয়ারম্যান মমতাবালা ঠাকুর। আর এবার পদ হারিয়ে বিস্ফোরক বনগাঁ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন চেয়ারম্যান শ্যামল রায়। বললেন, 'আমি গোড়া থেকেই লবিবাজির শিকার। নতুনদের মনে হয়েছে পুরনোদের না থাকাই ভাল। নতুন প্রজন্ম হয়তো ভেবেছে আমি থাকলে ক্ষতি হবে। পুরনোরা থাকলে হয়তো নতুনদের জায়গা নষ্ট হতে পারে। দলের মধ্যে অনেক রকম লবিবাজি হয়। বড় বড় নেতাদের কাঠিবাজি চলে।'
আরও পড়ুন, বীরভূমে TMC-র কোর কমিটির বৈঠক চলাকালীন অনুব্রতকে ফোন মমতার ! 'দল বিরোধী মন্তব্যে কঠোর ব্যবস্থা..'!
কেউ বলছেন ব্যক্তি নয়, দল আগে। আবার কারও মুখে বারবার উঠে আসছে ব্যক্তির কথা! তৃণমূলের উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি পর সরিয়ে দেওয়া এবং কোর কমিটির হাতে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে কমিটির সদস্যদের মুখেই উঠে এল ভিন্ন সুর। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। তৃণমূলের দাবি, দল যাতে আরও ভাল ফল করতে পারে, তারজন্যই এই সিদ্ধান্ত। নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন,' দল আছে, তাই আমরা আছি। কোর কমিটি সেই মর্মে কাজটা করবে, সকলকে নিয়ে করবে।'মানিকতলা তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুপ্তি পাণ্ডে বলেন,স্বাধীনভাবে কতটা কাজ করতে পারছি সেটা দেখতে হবে।' উত্তর কলকাতা জেলার তৃণমূলের সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে, অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদ জেলা চেয়ারম্যান করা হয়েছে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বীরভূমের মতো উত্তর কলকাতা জেলার সভাপতির পদ তুলে দিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৯ সদস্যের কোর কমিটির ওপরে।
এখন এই কোর কমিটির সদস্যদের গলাতেই শোনা যাচ্ছে পরস্পরবিরোধী সুর! কোর কমিটির অন্যতম সদস্য, রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা বার্তা দিচ্ছেন, ব্যক্তি নয় আগে দল! নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, দলের নেতৃত্ব মনে করেছেন উত্তর কলকাতার একটি কোর কমিটি গঠন করেছে। তার মধ্যে ৯ জন সদস্যের মধ্যে আমি একজন। সুতরাং আমরা প্রত্যেকেই দলের নেতৃত্ব যেটা আদেশ দিচ্ছেন, সেটাকে পালন করছি। ২০২৬ হচ্ছে পাখির চোখ। সেটাকে সামনে রেখে ব্যক্তিগত হিংস্র বা ঈর্ষা যদি থাকে সেগুলোকে...সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। দল গুরুত্বপূর্ণ।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোর কমিটির সব সদস্যের মত সমান গুরুত্ব পাবে কিনা, সে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শোনা গেছে কোর কমিটিরই আরেক সদস্য এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সুপ্তি পাণ্ডের গলায়। তাঁর মন্তব্যে বারবার ফিরে এসেছে ব্যক্তির নাম! মানিকতলা তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুপ্তি পাণ্ডে বলেন, কোন পদ কাউকে সরানো, কাউকে জোগাড় করা, কাউকে এডিশন করা এগুলোতে আমি ঠিক বিশ্বাসী নই। সুদীপ দা চেয়ারপারসন আছে তার প্রচুর অভিজ্ঞতা। সবকিছুতে তিনি মাথার উপর থাকবেন আমরা কাজ করব। যখন কাজ করব তখন দেখব যে কোথায় ফারাক হচ্ছে। কিন্তু চেয়ারম্যানের উপদেশ নিয়ে এই সময় কাজ করতে হবে।
অন্যদিকে কোর কমিটিতে না থাকা কুণাল ঘোষ, দলের নতুন সিদ্ধান্তে সুসম্পর্কের বাতাবরণ খুঁজে পাচ্ছেন।তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, আমাকে করুন, আমাকে করুন এরকম কেউ সিনিয়র নেতারা বলেননি। বরং বলেছেন, আমাকে নয় ওনাকে করুন। একটা সুসম্পর্কের বাতাবরণ আছে।'






















