North 24 Parganas News: ২০০, ৫০০ ও ২ হাজার টাকার নোট-সহ প্রচুর জাল নোট উদ্ধার বসিরহাটে !
Fake Note Rescue: মাটিয়া থেকে প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধার !

উত্তর ২৪ পরগনা: বসিরহাটে প্রচুর জাল নোট উদ্ধার, গ্রেফতার ১। মাটিয়া থেকে প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর।
খোলাপোতা মথুরাপুরের একটি বাড়িতে উদ্ধার হয় জাল নোট। ইতিমধ্যেই বাড়ির মালিক পলাতক। গ্রেফতার মালিকের ভাই শেখ আবুল রাজা।
৩৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে ২০০, ৫০০ ও ২ হাজার টাকার নোট রয়েছে।
আরও পড়ুন, 'মুর্শিদাবাদে অশান্তির ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত..', রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ রাজ্যপালের !
ভুয়োকাণ্ডের ভুরি ভুরি উদাহরণ
ভুয়ো ওষুধ থেকে শুরু করে ভুয়ো ভোটার কার্ড, ভুয়ো পাসপোর্ট কিছুই বাকি নেই। গত বছরের শেষে জাল নোট পাচার কাণ্ডে উঠে এসেছিল মালদার এক বাসিন্দার নাম। চলতি বছরের গোড়াতেই রাজ্য পুলিশের এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল ১ জন। উদ্ধার করা হয়েছিল ৯২ হাজার টাকার জাল নোট। ধৃতের নাম ছিল শেখ মুন্না। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদের সুতিতে। হাওড়া স্টেশন থেকে শেখ মুন্নাকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। এর আগে জাল নোট কাণ্ডে মালদার এক বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ।
পাসপোর্ট-জালিয়াতিকাণ্ডেও উঠে এল পাকিস্তান-যোগ
সম্প্রতি এরাজ্য়ের পাসপোর্ট-জালিয়াতিকাণ্ডেও উঠে এল পাকিস্তান-যোগ। ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর স্ক্যানারে পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন পাক নাগরিক আজাদ মল্লিক। ED, NIA-র পর এবার ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর স্ক্যানারে পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিল পাক নাগরিক আজাদ মল্লিক। সিজিও কমপ্লেক্সে আজাদকে জেরা করেছিলেন IB আধিকারিকরা।
আজাদের ২টি ভোটার কার্ড
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে খবর, পাক নাগরিক সম্পর্কে ইতিমধ্যেই বিদেশ মন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠানো হয়।ED সূত্রে দাবি, এরাজ্যে আজাদের ২টি ভোটার কার্ড রয়েছে। দু'টিই উত্তর ২৪ পরগনায়। একটি নৈহাটি, আরেকটি মধ্যমগ্রামের ঠিকানায়। মিলেছে জোড়া ড্রাইভিং লাইসেন্সও। তার মধ্যে একটি এরাজ্যের, আর একটি পাকিস্তানের করাচির ঠিকানায় ১৯৯৭ সালে তৈরি করা।
ভুয়ো পরিচয়
পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডের তদন্তে গত ১৫ এপ্রিল কলকাতা থেকে জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেদিনই উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি থেকে আজাদ মল্লিককে গ্রেফতার করা হয়। সম্প্রতি আদালতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দাবি করে, গ্রেফতার হওয়া আজাদ মল্লিক আদতে বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তানের নাগরিক। পাকিস্তানি পরিচয় আড়াল করতেই বাংলাদেশি নাগরিকের ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করত আজাদ।






















