North 24 Parganas News: মা-বাবাকে 'খুনের' পর বনগাঁয় গিয়ে হামলা ! হামলাকারীকে ছিনতাইয়ের চেষ্টায় থানা ভাঙচুর, জখম পুলিশকর্মী-সহ ৫
Bangaon parents Murder Case: মেমারিতে মা-বাবাকে খুনের পর বনগাঁয় গিয়ে হামলার অভিযোগ, হামলাকারীকে গ্রেফতার পরেই ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে একদল উন্মত্ত জনতা !

উত্তর ২৪ পরগনা: মেমারিতে মা-বাবাকে খুনের পর বনগাঁয় গিয়ে হামলার অভিযোগ। হামলাকারীকে ছিনতাইয়ের চেষ্টায় থানায় ভাঙচুর চালায় বলে খবর। ধারালো অস্ত্র নিয়ে যুবকের আচমকা হামলায় ইতিমধ্যেই জখম পুলিশকর্মী-সহ ৫।
আরও পড়ুন, ডায়মন্ড হারবার থানার পাশে ভর সন্ধ্যায় বিধ্বংসী আগুন, বাজেয়াপ্ত বেআইনি বাজিতে বিস্ফোরণ !
পুলিশ সূত্রে খবর, হামলাকারীকে থানায় নিয়ে যাওয়া সময়ে চড়াও হয় স্থানীয়রা।এদিকে হামলাকারীকে গ্রেফতার পরেই ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে একদল উন্মত্ত জনতা। থানায় ঢুকে রিসেপশন ডেস্কে ভাঙচুর চালায় তাঁরা।এরপরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ চলে পুলিশের বলে খবর। থানায় হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১০ জনকে আটক করা হয়েছে।বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
গত বছর, সম্পত্তির লোভে মাকে খুন করে, প্লাস্টিকে মুড়ে বাড়ির মধ্যেই লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছিল ছেলে-বউমার বিরুদ্ধে। সন্দেহ এড়াতে নিজেই ফোন করে পুলিশকে মায়ের মৃত্যুসংবাদ জানিয়েছিলেন ছেলে। দাবি করেন, তাঁর মায়ের দেহ পড়ে আছে বা়ড়ি লাগোয়া নির্মীয়মাণ ঘরে। মহেশতলা পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের জগন্নাথ নগর থেকে ৬৫ বছরের প্রভা নাথের পচাগলা দেহ উদ্ধার করেছিল মহেশতলা থানার পুলিশ।
খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মৃতের ছেলে ও বউমা। অভিযোগ, প্রৌঢ়াকে দিয়ে সম্পত্তি নিজেদের নামে লিখিয়ে নিতে চাইছিলেন তাঁরা। রাজি না হওয়ায় প্রৌঢ়াকে খুন করে প্লাস্টিকে মুড়ে ঘরের পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল। পরে পুঁতে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার আগেই ধরা পড়ে গিয়েছিলেন মৃতের ছেলে-বউমা।
অতীতে একটি নৃশংস ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল হুগলী। মা-বাবা-বোনকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছিল। পরিবারে সবাইকে হাতের শিরা, গলার নলি কেটে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। পেশায় গৃহশিক্ষক প্রমথেশ ঘোষালের ফাঁসির সাজা। ৮ নভেম্বর, ২০২১ সালে ধনেখালিতে মা-বাবা-বোনকে খুন করেছিলেন ওই ব্যক্তি। খুনের মামলায় ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এরপর দোষীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছিল।
উনিশ সালে আরও একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল রিজেন্ট পার্ক থানা এলাকায়। বাঁশদ্রোণিতে মাকে খুনের অভিযোগ গ্রেফতার হয়েছিল ছেলে। রাতে বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল বছর চুয়াল্লিশের মমতা অগ্রবালের মৃতদেহ। পরিবারের দাবি, ঘরের দরজা খুলে দেখা যায়, বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে ছিলেন ওই গৃহবধূ। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহে আঘাতের চিহ্ন মেলে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছিল ওই গৃহবধূকে। খুনের অভিযোগে মৃতার ছেলে আয়ুষ অগ্রবালকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃত জানিয়েছিল, তার বেলাগাম খরচ করা নিয়ে আপত্তি তোলার কারণেই মাকে খুনের ছক কষেছিল সে।






















