NRS Hospital: NRS হাসপাতালে CCU-তে ভেঙে পড়লো ছাদের চাঙড়, বিরাট ফাটল, বন্ধ রোগী ভর্তি
এক রোগীর আত্মীয় বলেন, 'ভয়েরই তো বিষয়। এখনও আছি এখানে আমরা। হয়তো আমাদের গায়েও তো পড়তে পারে। আতঙ্কেরই বিষয় এটা'

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: NRS হাসপাতালের CCU-তে ভেঙে পড়ল ছাদের চাঙড়। বড়সড় বিপদ থেকে বাঁচলেন CCU-তে চিকিৎসাধীন ১২ জন রোগী। UNB বিল্ডিংয়ের ৬ তলায় ছাদের চাঙড় ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার পরই রোগীদের অন্য জায়গায় সরানো হয়েছে। ছাদের চাঙড় ভেঙে পড়ে ফেটে গেছে CCU-র মেঝে। ছাদে দেখা দিয়েছে বড়সড় ফাটল। PWD মেরামতের কাজ শেষ না করা পর্যন্ত ওই CCU-তে রোগী ভর্তি করা হবে না। সিদ্ধান্ত নিয়েছে NRS কর্তৃপক্ষ।
প্রত্যন্ত এলাকার কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা গ্রামীণ হাসপাতালের নয়, ভয়ঙ্কর এবং বিপজ্জনক এই ছবি খাস কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত NRS মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের। শুক্রবার এখানকারই UNB বিল্ডিংয়ের ৬ তলার ছাদ থেকে বড়সড় একটি চাঙড় ভেঙে। অল্পের জন্য বড়সড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পান রোগীরা। তবে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় CCU-এর মেঝে!
এক রোগীর আত্মীয় বলেন, 'ভয়েরই তো বিষয়। এখনও আছি এখানে আমরা। হয়তো আমাদের গায়েও তো পড়তে পারে। আতঙ্কেরই বিষয় এটা। ছাদের অবস্থা অতটা আমরা বলতে পারব না, এদিক-ওদিক চটে আছে। এখানে তো হাজার হাজার মানুষ আসে। বিপজ্জনক জায়গায় কেউ থাকলে মানুষ মারা যাবে এটাই চিন্তার বিষয়।'
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, ছেলের চিকিৎসা করাতে এসে লিফটে পিষে মৃত্যু হয় দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার ৩ দিনের মাথায়, ওই একই হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে মৃত্যু হয় বিশরপাড়ার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সামন্তর। গুরুতর অসুস্থ অবস্থাতেও দূরের শৌচালয়ে যেতে গিয়ে মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। এর কয়েকদিনের মধ্যেই ২৭ মার্চ কেতুগ্রামের সীতাহাটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কোয়ার্টারে ছাদের চাঙড় ভেঙে মৃত্যু হয় ৪ মাসের শিশুকন্যার। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার NRS হাসপাতালের রোগী ভর্তি মেডিসিন বিভাগের CCU-তে ভেঙে পড়ল ছাদের চাঙড়।
ঘটনার পরেই ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি থাকা ১২ জন রোগীকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ওই ওয়ার্ডটি।























