Rajeev Kumar Wife: রাজ্যের তথ্য কমিশনের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রাজীব কুমারের স্ত্রী, চিঠি পাঠালেন রাজ্যপালকে
West Bengal Government: পদে থেকে আর বিতর্ক তৈরির সুযোগ দিতে চাই না, তথ্য কমিশন থেকে ইস্তফার কারণ হিসাবে এমনই দাবি করেছেন রাজীব কুমারের স্ত্রী। রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে এই দাবি করেছেন তিনি।

কলকাতা: রাজ্যের তথ্য কমিশনের সদস্য পদে ছিলেন রাজীব কুমারের স্ত্রী। আর এবার সেই পদ থেকে ইস্তফা দিলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের স্ত্রী সঞ্চিতা। তিনি জানিয়েছেন, "রাজ্য সরকার আমাকে আর এই পদে রাখতে চায় না। সরকারের এই ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তথ্য কমিশনের সচিব। রাজ্য সরকারের এই ইচ্ছের কথা জানার পরেই পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি", বলছেন তিনি।
আরও পড়ুন: ITR দাখিলের সময় প্রায় শেষ, কিন্তু এই ভুলগুলো একদম করবেন না
পদে থেকে আর বিতর্ক তৈরির সুযোগ দিতে চাই না, তথ্য কমিশন থেকে ইস্তফার কারণ হিসাবে এমনই দাবি করেছেন সঞ্চিতা কুমার। রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে এই দাবি করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুন মাস থেকে তথ্য কমিশনে ছিলেন সঞ্চিতা কুমার। প্রসঙ্গত, রাজ্যের সেরা আইপিএস অফিসারদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন রাজীব কুমার। রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজিও ছিলেন তিনি। অবসরের পর তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সদস্যও হয়েছেন এই প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক।
অন্যদিকে, এক বাস চালকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা। পুলিশ মনে করছে ওই পাথর খাদানের টাকা বেশ পরিকল্পনা করেই এখানে এই টাকা রাখা হয়েছে। ওই বাসচালককে কেউ সন্দেহ করবে না, সেই মনে করেই পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল এই টাকা এখানে রেখেছে মনে করছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: E20 Petrol নিয়ে ভুয়ো প্রচারের অভিযোগ, এবার নীতিন গড়করিকে নিয়ে বড় নির্দেশ বম্বে হাইকোর্টের
জানা গিয়েছে, ওই পাথর ব্যবসায়ী DCR-এর টাকা তোলার দায়িত্বে ছিলেন। আর সেখানেই দুর্নীতি করার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। তৃণমূল আমলে প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই ব্যক্তি DCR-এর একচ্ছত্র অধিপতি ছিলেন এই টুলু মণ্ডল। এর আগে সিউড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় আগেই অভিযোগ করেছিলেন, বীরভূম থেকে কর হিসাবে যে পরিমাণ টাকা পাওয়ার কথা ছিল, সেই পরিমাণ টাকা আসেনি। উল্লেখ্য, তৃণমূল আমলে এখান থেকে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা কর হিসাবে আসত। কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই সেই টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮০ লক্ষ টাকায়। আর তার মধ্যেই এই পুলিশি অভিযান। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি দিনে কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি হত এখানে।























