Ramkrishna Dev: শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথিতে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, তৃণমূলের দাবি মানতে নারাজ দিলীপ ঘোষ
Dilip On TMC ON Modi On Ramkrishna Dev : শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথিতে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর, কী প্রতিক্রিয়া দিলীপের ?

কলকাতা: শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথিতে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর। এবার ময়দানে নামলেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, 'স্বামী বলা চলবে না ? স্বামী বিবেকানন্দ বলা যায়, স্বামী রামকৃষ্ণ বলা চলবে না ? কে লিখে দিয়েছে ? পেটেন্ট হয়ে গিয়েছে নাকি ? সারা ভারতবর্ষের যারা আধ্যাত্মিক পুরুষ, তাঁদেরকে স্বামী বলা হয়। আমরা ঠাকুর বলি। ঠাকুর মানে তো তাই হল। '
আরও পড়ুন, কলকাতার কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পুলিশ আধিকারিককে তলব ! কাকে সমন পাঠাল ED ?
অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট দেখে তোপ দেগেছেন তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার মাটি ও মনিষীদের সম্পর্কে তো কোনও আইডিয়া নেই সেটা তো আজকে প্রথম নয়, ২০২১ থেকেই আমরা দেখছি। বিজেপি যে কথাটা বলছে, যে কোনও মনিষীর আগেই স্বামী দেওয়া যায়, ব্যাপারটা তো এরকম সবক্ষেত্রে নয়। যেমন ধরুন নেতাজি আমরা সবক্ষেত্রেই বসাতে পারি, নেতাজি কথার অর্থ কী ? বাংলায় করলে হয়। নরেন্দ্র মোদির আগে বসানো যেতে পারে। কারণ তিনিও রাজনৈতিক নেতা। কিন্তু আমরা কি বসাই ?' প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
মূলত, এদিন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ''স্বামী রামকৃষ্ণ পরমহংসজীকে তাঁর জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য। তিনি আধ্যাত্মিকতা ও সাধনাকে যেভাবে জীবনশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা যুগে যুগে মানবতার কল্যাণ সাধন করে যাবে। তাঁর সুচিন্তিত বাণী ও বার্তা সর্বদা প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।''প্রধানমন্ত্রীর এই পোস্ট সামনে আসতেই আক্রমণ শানাতে দেরি করেননি মুখ্যমন্ত্রী।
এরপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ''আমাদের প্রধানমন্ত্রী আবার বাংলার মহাপুরুষদের প্রতি তাঁর সাংস্কৃতিক
অজ্ঞতাকে প্রকটভাবে প্রকাশ করেছেন। আজ যুগাবতার শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি। এই মহান সাধককে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নামের আগে এক অপ্রত্যাশিত ও অনুপযুক্ত শব্দ যোগ করেছেন - "স্বামী"। এটা সবার জানা, শ্রী রামকৃষ্ণকে সর্বত্র ঠাকুর (অর্থাৎ ঈশ্বর) নামে অভিহিত করা হয়। তাঁর সন্ন্যাসী শিষ্যরা গুরুদেবের মহাপ্রয়াণের পর রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন এবং ভারতীয় প্রথা অনুযায়ী তাঁদের "স্বামী" বলা হয়। কিন্তু গুরুদেব, আচার্য নিজে সর্বদা ঠাকুর নামেই পরিচিত ছিলেন। "স্বামী" শব্দবন্ধটি শ্রী রামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী শিষ্যদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল। এই পরম্পরায় পবিত্র ত্রয়ী রয়ে গেছেন ঠাকুর–মা–স্বামীজি। ঠাকুর হলেন শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব, মা হলেন মা সারদা, আর স্বামীজি হলেন স্বামী বিবেকানন্দ। আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাই, আধুনিক ভারতের স্থপতি, বাংলার মহান নবজাগরণের রূপকারদের জন্য নতুন শব্দবন্ধ আবিষ্কার করবেন না', এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের।























